ফিচার

আমার উপস্থাপনার পথ চলা

তাসলিমা খানম বীথি: ১.অফিসের কোনো অনুষ্ঠান হলেই বস আমাকে বলতেন উপস্থাপনা করার জন্য। আমি না করতেই তিনি রেগে যেতেন। আমার না করার কারণ হচ্ছে ভয়। কারন একটি অনুষ্ঠানে সৌন্দর্য্য হচ্ছে ভালো উপস্থাপনা। আর উপস্থাপনা ভালো না হলে পুরো অনুষ্ঠানেই আমার কাছে প্রাণহীন লাগে। যাই হোক। একদিন বস বললেন- তোমাকে এখন থেকে মোবাইল পাঠাগারের সাহিত্য আসরে উপস্থাপনা করতে হবে। তখন মনে মনে ভাবছিলাম হ্যাঁ বলব. নাকি না বলব। শেষ পর্যন্ত আর না করলাম না। যা হবার হবে। পাঠাগারের প্রথম দিনেই আমার উপস্থাপনা শুনে পীর স্যার বললেন- বীথি পারবে সাহিত্য আসর চালাতে। স্যারের আমার প্রতি আত্মবিশ্বাস দেখে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস আরো বেড়ে গেলো। তারপর থেকে যখন যে অনুষ্ঠানে আমি উপস্থাপনা করি, বেস্ট উপস্থাপনা করার জন্য চেষ্টা করি।

২. আতাউর রহমান পীর স্যারের বক্তব্য সবসময় আমাকে মুগ্ধ করে। তার কথা মধ্যে অনেক কিছু জানতে পারি, শিখতে পারি।  মোবাইল পাঠাগারে ৬৯১ তম সাহিত্য আসরে বক্তব্য ফাঁকে প্রশংসা করছিলেন আমার উপস্থাপনা নিয়ে আর ধন্যবাদ দিলেন গল্পকার সেলিম আউয়ালকে। কারন সিলেট মোবাইল পাঠাগার র্দীঘদিন বন্ধ থাকায় যখন ২০১৫ সালে আবার শুরু হয়। তখন গল্পকার সেলিম আউয়াল পীর স্যারের সাথে আলাপ করে উপস্থাপনা দায়িত্ব দিলেন আমাকে। সেই থেকে আজো পাঠাগারের নিয়মিত সাহিত্য আসর উপস্থাপনা চালিয়ে যাচ্ছি।

৩. গত বৃহস্পতিবারে অফিসের একটা জরুরি কাজে আটকে গিয়েছিলাম। অপি ভাইকে কল করে জানালাম আসতে পারব না। তিনি শুনে বললেন- না, তোমাকে আসতেই হবে। যে ভাবেই হোক, তুমি অফিস ম্যানেজ করে কেমুসাসে সাহিত্য আসরে আসো। কবি আব্দুল মুকিত অপি কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদের সাহিত্য সংস্কৃতি সম্পাদক হবার পর সাহিত্য আসরের উপস্থাপনার দায়িত্ব দিলেন আমাকে। তারপর থেকে চলছে আমার উপস্থাপনার পথ চলা। উপস্থাপক হবার জন্য প্রথমে যার কাছে কৃতজ্ঞ তিনি হলেন আমার বস গল্পকার সেলিম আউয়াল। তারপর আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি দুটি সাহিত্য সংগঠনের উপস্থাপনার দায়িত্ব দেবার জন্য অধ্যক্ষ লে. কর্নেল (অব.) এম.আতাউর রহমান পীর স্যার এবং কবি আব্দুল মুকিত অপিকে। আপনাদের ভালোবাসা নিয়ে আরো অনেক দূর এগিয়ে যেতে চাই।
২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close