সোনার বাংলাদেশ

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি

দলের যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে সেসব প্রার্থীকে আপিলের সুযোগ না দিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

সোমবার রাতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এই অভিযোগ করে বলেন, গত রবিবার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের দিন রাজশাহীর রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিসি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক মন্ত্রী রাজশাহী-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার আমিনুল হকের মনোনয়নপত্র সম্পূর্ণ বেআইনি ও রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যেই বাতিল করা হয়েছে। এখন আপিলের জন্য বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রিটার্নিং অফিসার তাকে হস্তান্তর করছেন না। আজকেও কাগজপত্র দেয়া হবে কি না এ বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে। আজ যদিও কাগজপত্র দেয়া হয় তাহলে ঢাকায় এসে আপিল করা তার জন্য দুঃসাধ্য হয়ে পড়বে। কাগজপত্র আটকে রাখা গভীর চক্রান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়। রাজশাহী বিএনপির জনপ্রিয় রাজনীতিবিদদের আসন্ন নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য আমি রাজশাহীর রিটার্নিং অফিসারের সরকারি নির্দেশ পালনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

রিজভী আহমেদ বলেন, একইভাবে রাজশাহী-৫ আসনে সাবেক এমপি নাদিম মোস্তফারও মনোনয়নপত্র রিটার্নিং অফিসার বাতিল করেছেন। তিনি মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের জাবেদা নকল তুলতে তাৎক্ষণিক আবেদন করলেও রিটার্নিং অফিসার নকল সরবরাহ করেননি।

মঙ্গলবার কখন সেটি পাওয়া যাবে এবং কখন ঢাকা রওনা হবে সেটিরও কোনো নিশ্চয়তা নেই। সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রিটার্নিং অফিসাররা সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে আন্তরিক নন। তারা সরকারের মুখ চেয়েই কাজ করছে। তারা মানুষের ক্ষোভের আঁচ টের পাচ্ছেন না। এই রিটার্নিং অফিসারদের কারণেই স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তনকারী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারের কাউকে নির্বাচন করতে দেয়া হচ্ছে না। তারাই ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে। আমরা দেশবাসী এই অন্যায়, এই অবিচার কখনোই ভুলবো না। জনগণের স্মৃতির পর্দা ঝাপসা নয়। অপমাণিত জনগণ এক দিন সব অন্যায় কড়ায়-গণ্ডায় আদায় করে নেবে।

তিনি বলেন, মাগুরা জেলা বিএনপি নেতা মনোয়ার হোসেন খানকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতারের পর প্রধানমন্ত্রীর সহকারী এপিএস-২ সাইফুজ্জামান শেখরের নির্দেশে যুবলীগ-ছাত্রলীগের ক্যাডাররা জামিন প্রক্রিয়ায় বাধা প্রদান করে। বিএনপির আইনজীবীরা আওয়ামী ক্যাডারদের হুমকির মুখে জজকোর্ট থেকে মনোয়ার হোসেন খানের জামিন নামঞ্জুরের কাগজপত্র তুলতে পারেননি।

এ ছাড়া দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেদওয়ানুর রহিম নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন জানিয়ে রিজভী আহমেদ বলেন, কক্সবাজারের টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। আমি তাদেরকে প্রত্যাহারের জোর দাবি জানাচ্ছি। জাস্ট নিউজ

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close