সোনার বাংলাদেশ

১০ প্রার্থীর ৬ জন মামলার আসামী

সিলেট-৩ আসনের ১০ প্রার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮ মামলার আসামী ছিলেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী। বর্তমানে ২ মামলা চলমান রয়েছে। পেশায় ব্যবসায়ী সামাদ লন্ডনে এমবিএ-এফসিএম আই পাশ করেন। তার নিকট সর্বোচ্চ নগদ ২ কোটি ৩১ লাখ টাকা রয়েছে। বিএনপির ৩ প্রার্থীর মধ্যে আলহাজ্ব শফি আহমদ চৌধুরী বিএ পাশ। তিনি অতীতে ১ মামলার আসামী ছিলেন। পেশায় ব্যবসায়ী শফি চৌধুরীর কোনো আয় নেই-নেই ঘরবাড়ি। বিএনপির অপর প্রার্থী আব্দুস সালাম এম.এস.এস পাশ। তিনি সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী। বিএনপির আরেক প্রার্থী এম.এ. হক তেল-গ্যাস সরবরাহকারী। এসএসসি পাশ এই প্রার্থী ২ মামলার আসামী ছিলেন। একটি বর্তমানে চলমান। জাতীয় পার্টির প্রার্থী উছমান আলী ডেইরি ফার্মের ব্যবসা করেন। তবে তার বাড়ি ঘর নেই। তিনি এইচএসসি পাশ। জাপার আরেক প্রার্থী তোফায়েল আহমদ পাথর সরবরাহ করেন। তিনি এসএসসি পাশ করেন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা আতিকুর রহমান গহরপুর জামেয়ার শিক্ষক। তিনি টাইটেল পাশ। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী দিলওয়ার হোসাইন পেশায় ব্যবসায়ী। তিনি তাকমীল (টাইটেল) পাশ করেছেন। ১ মামলার আসামী হলেও অব্যাহতি পেয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এম. এ. মতিন বাদশা ৮ম শ্রেণি পাশ। তবে তার কোনো পেশা নেই। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা নজরুল ইসলাম স্বশিক্ষিত হলেও ফেঞ্চুগঞ্জের মাদানিয়া তাহফীযুল কোরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ) আসনের এই ১০ প্রার্থীর হলফনামা পর্যালোচনা করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামায় নিজে স্বাক্ষর করে এ সকল তথ্য দেন প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনের বাছাইকালে এই ১০ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। ১০ প্রার্থীর মধ্যে ৬ জন মামলার আসামী হয়েছেন। বাকি ৪ জনের বিরুদ্ধে কখনো কোনো মামলাই হয়নি। সূত্র বলেছে, বিএনপির ৩ জনের মধ্যে ২ জন ও জাতীয় পার্টির ২ জনের মধ্যে ১ জন অথবা মহাজোটগতভাবে ২ জনই প্রার্থীতা প্রত্যাহার করতে পারেন।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কমিশনে জমা দেয়া হলফনামা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী ফেঞ্চুগঞ্জের নূরপুরের বাসিন্দা। তার পিতা মৃত দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী। ঢাকা ও সিলেটে তিনি ৮ মামলার আসামী হলেও বর্তমানে ২ মামলা চলমান রয়েছে। গার্মেন্টস, নীট ইন্ডাস্ট্রিজ, রিয়েল এস্টেট, পাওয়ার কোম্পানিসহ তিনি ৫টি ব্যবসা কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, শেয়ার হোল্ডার ও স্বত্বাধিকারী। তিনি নিজে ৪ কোটি ৮৬ লাখ ৬ হাজার টাকা, স্ত্রী ১০ লাখ ১২ হাজার টাকা ও ছেলে ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নিজের নামে নগদ ১ কোটি ৫১ লাখ ২ হাজার ৪০০ টাকা, স্ত্রীর নামে ৪৩ লাখ ৬০ হাজার ৭১০ টাকা ও ছেলের নামে ৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫০০ টাকা, নিজ নামে ব্যাংকে জমা ১ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯৮ টাকা, ৬ কোটি ২০ লাখ ৭০ হাজার টাকার শেয়ার, ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ১ কোটি ৭ লাখ ৩৫ হাজার টাকার (১টি নিশান জীপ, ২টি টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার জীপ-১টি নিশান কার) মোটরগাড়ি, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার স্বর্ণ, ৬ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ১৫ লাখ টাকার আসবাবপত্র ও ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকার অন্যান্য সম্পদ, স্ত্রীর নামে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার, ৫০ হাজার টাকার সঞ্চয়পত্র, ছেলের নামে ১ ভরি স্বর্ণ, ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র রয়েছে।
স্থাবর সম্পদ রয়েছে নিজ নামে ২৪ লাখ ২৯ হাজার ৮৬১ টাকার কৃষি জমি ও স্ত্রীর নামে ৫৭ লাখ ৯২ হাজার ২২৫ হাজার টাকার কৃষি জমি, ২৪ লাখ ২৮ হাজার ১২৫ টাকার অকৃষি জমি, ১ কোটি ১৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার বিপনী বিতান, ১ কোটি ৩১ লাখ টাকার এপার্টমেন্ট, স্ত্রীর নামে ৩৩ লাখ টাকার এপার্টমেন্ট ও ছেলের নামে ২ লাখ ২০ হাজার টাকার অকৃষি জমি। নিজ নামে সিসি ঋণ রয়েছে ৫৬ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৮ টাকা ও প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান-ব্যবস্থাপনা পরিচালক- পরিচালক হিসেবে ঢাকার ৪টি ও ফেঞ্চুগঞ্জের ১টি ব্যাংকে তার ৭০ কোটি ১৪ লাখ ৪ হাজার ৮৪ টাকা ঋণ রয়েছে।
বিএনপির প্রার্থী আলহাজ্ব শফি আহমদ চৌধুরী দক্ষিণ সুরমা উপজেলার পশ্চিম দাউদপুরের বাসিন্দা। তার পিতা মরহুম খান বাহাদুর গৌছ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। তিনি এক মামলার আসামী হলেও পরে খালাস পান। তিনি অ্যালবার্ট ডেভিট বাংলাদেশ লিমিটেড’র ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক। হলফনামায় তিনি আয়কর বিবরণীতে তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের বিষয়টি উল্লেখ আছে বলে তুলে ধরেছেন।
বিএনপির অপর প্রার্থী মোঃ আব্দুস সালাম দক্ষিণ সুরমা উপজেলার রায়বান গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতা মাহমুদ মিয়া। তিনি কখনো মামলার আসামী হননি। সুপ্রীম কোর্টের এই আইনজীবী কৃষিখাত থেকে ৩০ হাজার ও পেশা থেকে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে রয়েছে নিজ নামে নগদ ১০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৬৪১ টাকা, ১ লাখ টাকার স্বর্ণ, ১ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ১ লাখ টাকার আসবাবপত্র, স্ত্রীর নামে ৪ লাখ টাকার স্বর্ণ, ৬০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ৩০ হাজার টাকার আসবাবপত্র। স্থাবর সম্পদ রয়েছে যৌথ মালিকানায় ২৪ হাজার ৭৫০ টাকার দানসূত্রে পাওয়া কৃষিজমি, ১১ লাখ ১৬ হাজার ৫০০ টাকার অকৃষি জমি, ৫৭ লাখ ৩৩ হাজার ১৮০ টাকার দালান ও ১০ লাখ টাকার এপার্টমেন্ট। তার কোনো দায় দেনা নেই।
বিএনপির আরেক প্রার্থী এম এ হক সিলেট নগরীর যতরপুরের (নবপুষ্প-১৩০) বাসিন্দা। তার পিতা আলহাজ্ব মোবশ্বর আলী। তিনি ২ মামলার আসামী হলেও একটিতে খালাস পেয়েছেন। জ্বালানি তেল-গ্যাস সরবরাহকারী এ প্রার্থী কৃষিখাত থেকে ৩৬ হাজার টাকা, ব্যবসা থেকে ২৪ লাখ ৩৮ হাজার ৯৬৭ টাকা, শেয়ার থেকে ২ লাখ ১ হাজার ৬৮২ টাকা ও ট্যাংক লরি থেকে ১৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে নিজ নামে নগদ ১৯ লাখ ৮৮ হাজার টাকা ও স্ত্রীর নামে ২ লাখ টাকা, নিজ নামে ৮ হাজার ৯২৭ ইউএস ডলার, ব্যাংকে নিজ নামে ৫০ লাখ ৪৩ হাজার ৪ টাকা ও স্ত্রীর নামে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা, ৩৩ লাখ ৮ হাজার ৬১৬ টাকার সঞ্চয়পত্র, ৬২ লাখ টাকার ৪টি ট্যাংক লরি ও ৮০ লাখ টাকার একটি জীপগাড়ি, ১০ ভরি স্বর্ণ, স্ত্রীর নামে ৪০ ভরি স্বর্ণ, নিজ নামে ৬০ হাজার টাকার ও স্ত্রীর নামে ৫০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী, নিজ নামে ৪০ হাজার টাকার ও স্ত্রীর নামে ৭০ হাজার টাকার আসবাবপত্র। স্থাবর সম্পদ রয়েছে যৌথ মালিকানায় ৪০ একর কৃষি জমি, নিজ নামে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার ও স্ত্রীর নামে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার অকৃষি জমি, নিজ নামে ও স্ত্রীর নামে ৬৮ লাখ টাকার দালান। দুটি ব্যাংকে তার ৪ কোটি ২৭ লাখ ৪২ হাজার ১৮৩ টাকা ঋণ রয়েছে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোঃ উছমান আলী দক্ষিণ সুরমার বানেশ্বরপুরের বাসিন্দা। তার পিতা মরহুম হাজী আজম আলী। ডেইরি ফার্ম ব্যবসায়ী এ প্রার্থীর বিরুদ্ধে ১টি মামলা রয়েছে। ব্যবসা থেকে ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে নিজ নামে নগদ ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ২ লাখ ৭৫ হাজার, ১ লাখ টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ৮৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র, স্ত্রীর নামে ১০ ভরি স্বর্ণ। তার স্থাবর সম্পদ বা বাড়িঘর নেই। নেই কোনো দায় দেনা।
জাতীয় পার্টির অপর প্রার্থী মোহাম্মদ তোফায়েল আহমদ দক্ষিণ সুরমার গোপশহরের বাসিন্দা। তার পিতা মোঃ ইয়াছিন আলী। ঠিকাদার ও পাথর সরবরাহকারী এ প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। ব্যবসা থেকে আয় করেন ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে নিজ নামে নগদ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ৩০ হাজার টাকা, ১ লাখ ১০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ১ লাখ ২০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ও ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যবসার পুঁজি, স্ত্রীর নামে ৮ ভরি স্বর্ণ। স্থাবর সম্পদ রয়েছে যৌথ মালিকানার ১০ একর কৃষিজমি ও ২০ লাখ টাকার একটি বাড়ি। তার কোনো ঋণ নেই।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাফিজ মাওলানা আতিকুর রহমান বালাগঞ্জের সিরাজপুরের বাসিন্দা। তার পিতা এখলাছুর রহমান। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তিনি শিক্ষকতা করে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে নগদ ৫০ হাজার টাকা ও ব্যাংকে রয়েছে ৫০ হাজার টাকা, ৭৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও ১ লাখ ২০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ও স্ত্রীর নামে ৫ ভরি স্বর্ণ। স্থাবর সম্পদ রয়েছে যৌথ মালিকানায় ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার ১৫ শতক ভূমি। তার কোনো দায় দেনা নেই।
খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোঃ দিলওয়ার হোসাইন দক্ষিণ সুরমার খিদিরপুরের বাসিন্দা। তার পিতা মোঃ আব্দুল করিম। তিনি এক মামলার আসামী হলেও পরে অব্যাহতি পান। পেশায় রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী এ প্রার্থী বাড়ি ভাড়া থেকে ২ লাখ ৪০হাজার টাকা, চাকুরি থেকে ৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩২০ টাকা ও ভাগ্নার পাঠানো রেমিটেন্স থেকে ১ লাখ ৯৩ হাজার ২৬৯ টাকা আয় করেন। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে নিজ নামে নগদ ৫ লাখ ৯০ হাজার ৬০ টাকা, ব্যাংকে জমা ৫০ হাজার টাকা, ৩৬ লাখ টাকার শেয়ার, ৫ ভরি স্বর্ণ, ৬৯ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ৪০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ও ৫ লাখ ৪২ হাজার ৪২ টাকার বীমা, স্ত্রীর নামে ১০ ভরি স্বর্ণ ও ১ লাখ টাকার আসবাবপত্র। স্থাবর সম্পদ রয়েছে ৬ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৯ টাকার কৃষিজমি ও ৩১ লাখ ৯৩ হাজার টাকার এপার্টমেন্ট। এপার্টমেন্ট ক্রয়ের জন্যে লংকা-বাংলা ফাইনান্স লিমিটেড থেকে ২২ লাখ ৯৩ হাজার ৮১৪ টাকা ঋণ নেন-যা দেনা হিসেবে রয়ে গেছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এম এ মতিন বাদশা বালাগঞ্জের পূর্ব আতাসনের বাসিন্দা। তার পিতা হাজী মোঃ ছমরু মিয়া। তিনি এক মামলার আসামী হলেও পরে অব্যাহতি পান। তার কোনো পেশা নেই। তবে কৃষিখাত থেকে আয় করেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে নিজ নামে নগদ ১০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ৫ হাজার টাকা, ১০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র ও স্ত্রীর নামে ১ ভরি স্বর্ণ। স্থাবর সম্পদ রয়েছে ৫০ হাজার টাকার ৬০ শতক কৃষিজমি। তবে কোনো দায়-দেনা নেই।
জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা মোঃ নজরুল ইসলাম ফেঞ্চুগঞ্জের আশিঘরের বাসিন্দা। তার পিতা আলহাজ্ব মাহমুদুর রহমান। তিনি স্বশিক্ষিত হলেও ফেঞ্চুগঞ্জের জামিয়া মাদানিয়া তাহফীযুল কোরআন মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। শিক্ষকতা করে আয় করেন ১ লাখ ৮ হাজার টাকা। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। অস্থাবর সম্পদ রয়েছে নিজ নামে নগদ ১৫ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ১ হাজার টাকা, ২৪ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী, ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ও স্ত্রীর নামে ৫ ভরি স্বর্ণ। স্থাবর সম্পদ রয়েছে নিজ নামে ৩ লাখ টাকার ১৮ শতক কৃষিজমি ও ১৬ লাখ টাকার ৮ শতক অকৃষি জমি। এই প্রার্থীর কোনো ঋণ নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করেন।
এ আসনে বিএনপি মনোনীত অপর প্রার্থী আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও মনোনয়ন পেতে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপীল করেছেন।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close