ধর্ম

ফজরের নামাজ পড়ে বাইসাইকেল জিতলো ৫২০ কিশোর

তুরস্কের একটি পৌরসভার কর্তৃপক্ষ নামাজের প্রতি উৎসাহ দিতে ৫২০ জনকে সাইকেল পুরস্কার দিয়েছে। শিশু-কিশোরদের নামাজের প্রতি উৎসাহ দিতে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। টানা ৪০ দিন ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করায় ওই শিশু-কিশোররা এ পুরস্কার পেয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সম্প্রতি তুরস্কের আকশাহর পৌরসভায় রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে ‘চলো মসজিদে যাই, ফজর নামাজে শরিক হই’ নামের এক বিশেষ প্রকল্প চালু করা হয়। এ প্রকল্পের আওতায় নগরীর ইফতা বোর্ডের সহায়তায় ‘বাইসাইকেল বিতরণ’-এর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আকশাহর পৌরসভা প্রতিনিধি মুহাম্মদ আলিদি, পৌর-মেয়র সালেহ আক্কায়া ও মুফতি আহমদ কারদাশের উপস্থিতিতে শহরের সংস্কৃতি-বিষয়ক কার্যালয় কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় শিশুদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। (সূত্র : তুরস্কের বার্তা সংস্থা ইকনা)

পুরস্কার ঘোষণার পর শিশু-কিশোরদের উৎসাহিত করার জন্য অনেক মা নিয়মিত তাদের সন্তানদের সঙ্গে মসজিদে যান।

পুরস্কারের জন্য রাখা বাইসাইকেলে মসজিদের আঙ্গিনা ছিলো ভরা। বেশ উৎসাহ নিয়ে শিশু-কিশোররা এই কয়দিন নামাজে অংশ নিয়েছেন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এমন উদ্যোগের ফলে শিশু-কিশোরদের মাঝে নামাজের অভ্যাস গড়ে উঠবে।

জামাতে নামাজ আদায়ের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। এ বিষয়ে প্রচুর হাদিসও রয়েছে। যেমন এক হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘যদি লোকে এশা ও ফজরের নামাজের ফজিলত জানতো, তাহলে তাদেরকে হামাগুঁড়ি দিয়ে আসতে হলেও তারা অবশ্যই ওই নামাজদ্বয়ে আসতো।’ (সহিহ বোখারি ও মুসলিম)

হাদিসে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘যে ব্যক্তি চল্লিশ দিন তাকবিরে উলার সঙ্গে (নামাজ শুরুর তাকবিরের সঙ্গে) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করলো- তার জন্য দু’টি নাজাত লিপিবদ্ধ করা হলো- ১. জাহান্নাম হতে ও ২. মুনাফিকি হতে মুক্তি।’ (সহিহ বোখারি) অন্য আরেক হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি জামাতের সঙ্গে এশার নামাজ আদায় করলো, সে যেন অর্ধেক রাত পর্যন্ত দাঁড়িয়ে (ইবাদত) করলো। আর যে ফজরের নামাজ জামাতসহ আদায় করলো- সে যেন সারা রাত দাঁড়িয়ে (ইবাদত) নামাজ পড়লো।’ (মুসলিম)

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close