সোনার বাংলাদেশ

দেশের অর্থনীতিতে অসাধ্য সাধন হবে : অর্থমন্ত্রী

আগামী পাঁচ বছর দেশের অর্থনীতিতে অসাধ্য সাধন হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। একই সঙ্গে আরো এক বছর দায়িত্ব পালনের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ ইঙ্গিত দেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে ভালো কাজ করেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পারিনি। দেশের মানুষের ধারণা এবার পাল্টেছে। তারা বুঝতে পেরেছে, সরকারেরর ধারাবাহিকতা থাকলে উন্নয়ন হয়। এজন্য আগামী পাঁচ বছরে দেশের অর্থনীতিতে অসাধ্য সাধন করা সম্ভব হবে।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাইলে আরো এক বছর অর্থমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পালন করতে পারি। কারণ, তার কোনো কথাই আমি ফেলতে পারি না। এছাড়া, সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলে দেশের উন্নয়ন হয় সেটা মানুষ বুঝে গেছে। উন্নয়নের এ ধারা অব্যাহত রাখতে আমি তার সঙ্গে আরো এক বছর কাজ করতে ইচ্ছুক।

অর্থমন্ত্রী বলেন, এবারের ইংরেজি নববর্ষ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, নতুন বছরের শুরুটা হলো নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের মাধ্যমে। এখন নির্বাচনে জয় এবং নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময় চলছে। আমি খুব উপভোগ করছি।

তিনি বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বর হয়ে যাওয়া একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভালো হয়েছে। গত নির্বাচনের তুলনায় এবার অনেক বেশি ভোট পড়েছে। উন্নত দেশগুলোতে ৪০ শতাংশ ভোট হলেই তারা খুশি হয়। আর আমাদের দেশে ৭০ শতাংশ ভোট হলে আমরা খুশি। তবে এবার ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এতে প্রতীয়মান হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা এবং গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেড়েছে।

আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবার নিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতা গ্রহণ করবেন। একাধারে ক্ষমতায় থাকলে যে অনেক বেশি উন্নয়ন হয়, জনগণ সেটা বুঝে ফেলেছে। একই সঙ্গে মানুষ এবার বুঝতে পেরেছে, শেখ হাসিনা ছাড়া বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই এ বছর জনগণ বেশি ভোট দিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে দেশে কোনো দারিদ্র্য থাকবে না। তবে দারিদ্র্যমুক্ত প্রতিটা দেশেই কিছু সংখ্যক দরিদ্র মানুষ সবসময় সরকারের ওপর নির্ভরশীল থাকে। দারিদ্র্য হ্রাসের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে আছে মালয়েশিয়া। সে দেশে বর্তমান দারিদ্র্যের হার ৭ শতাংশ। আমাদের দেশেও প্রতিবন্ধী বয়স্কদের মতো কিছু দরিদ্র থেকে যাবে। তাই বলা যায়, দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য আমাদের ২০৩০ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। আগামী ৫ বছরেই এই এটা করা সম্ভব হবে। রাইজিংবিডি

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close