ফিচার

নিঝুম দ্বীপের বাঁশি

এম. আশরাফ আলী : গভীর রাতে নিঝুম দ্বীপে যে বাঁশি বাজত-আজ বাজছে না কেন? ওকি চলে গেল তাহলে? কোন বিপদ হলো নাতো? কান খাড়া করে ভাবে দুদুল। একবার যাবে নাকি ওকে দেখতে?
দুদুলকে কিশোরদের নেতাই বলতে হবে। যেখানেই ওরা যায় দুদুলই সাথে থাকে। কানা মাছি, গোল্লাছুট, দাঁড়িয়া বাঁধা, হা-ডু-ডু থেকে শুরু করে সব খেলাই খেলে তরা। কাঞ্চন গ্রামের কিশোর দল। কেউ পড়ে পঞ্চম শ্রেণিতে, কেউ ষষ্ঠ আর কেউ সপ্তমে। দুদুল বড় ক্লাসে পড়ে আর ছাত্র হিসেবেও সে মন্দ না। এছাড়াও রয়েছে তার উপস্থিত বুদ্ধি। কাজেই যে সমস্যাই দেখা দিক না কেন দুদুলের কাছেই রয়েছে সমাধান। তাই অনায়াসেই নেতৃত্বের পাটে সে।
দুষ্টুমীর ছলে মাঝে মাঝে স্কুল ফাঁকি দেয় ওরা। আর স্কুল বন্ধ হলে তো কথাই নেই। সকাল হতেই মিশন শুরু হয়ে যায়। নাওয়া খাওয়ার বালাই নেই। মাঠ থেকে মাঠে আর বন থেকে বনে ছুটে চলাই ওদের কাজ। কখনও কাঁচা ধানের মাঠে কচি ছড়ার ফুল দু’হাতে স্পর্শ করে করে যায় আবার কখনও বনের ভিতর পাকা ফল খুঁজে পেড়ে খায় ওরা। মাঝে মাঝে বনের ভেতর সুন্দর জায়গা খুঁজে বসে পড়ে আর বিভিন্ন খেলায় মাতে। নির্মল আনন্দটা উপভোগ করে ওরা।
এক ছুটির দিনে দুদুল, শার্দুল, নওরোজ, শরীফুল আর হাবুল ভোরেই একত্রিত হলো। দুদুল বলল হেই এক কাজ করি…..
শার্দুল বলল- কী কাজ?
-আজ এক নতুন জায়গাতে যাই।
-কোথায়?
-ঐ যে গ্রামটা দেখছিস না? ওটা প্রথমে পার হমু। এর পরেই আছে একটা বড় বিল। বিলটা অবশ্য এখন কাইয়া গেছেগা। এর পর আছে একটা উঁচু মতন ঢিবি। কেউ এর কাছে পর্যন্ত যায় না। চল আমরা ওইখানে যাই। আজ শালা দেইখাই ছাড়মু-ওহানে কী আছে? সবাই সায় দিয়ে বলল-চল, দেইখাই ছাড়–ম।
সবুজ ধানের মাঠে ধানের শীষ বের হয়েছে। ফুল সমেত কাঁচা ধান। আশ্বিনের শেষ ভাগ। তাই ফসলি মাঠের এই রূপ? ধানের শীষে শীষে ভ্রমরদের আনাগোনা। মৃদু মন্দ বাতাসও বইছে। শার্দুল বলল-ধানের শীষে হাত লাগাতে কী আরাম! দুদুল ভাই। দুদুল ধমক দিয়ে বলল-হাত দিবি না কইলাম।
-ক্যান।
-ক্যান এটার উত্তর কইতাছি। তয় তোমরাও শুইন্যা রাখো ধানের শীষে হাত দিবা না।
হঠাৎ দুদুল এমন রেগে গেল কেন? ওরা নিজেরা নিজেদের মধ্যে উত্তর খুঁজছে। ঠিক ঐ মুহূর্তে দুদুল বলল- এক মিনিট। তোমরা ভাবতাছ- আমি ক্যান রাগ করতাছি-এই তো?
হুন- এই যে ধানের ছড়ার মধ্যে ফুল দেখতাছ? এই গুলান অইল গিয়া পরাগ রেণু? বুঝবার পারছ? এই গুলান বাতাসে উইড়া এক ছড়া থেকে অন্য ছড়ায় গিয়া পড়ে। ঐ যে পোকামাকড় দেখতেছ না? ঐ গুলানও এক ছড়া থেইক্কা অন্য ছড়ায় গিয়া বহে। এতে পরাগায়ন হয় বুঝলা? হেইদিন আমাগো বিজ্ঞান স্যার কেলাসে এই কথা কইছে। পরাগায়ন না অইলে ধানের মধ্যে চাউল হয় না। বুঝলা?
সবাই মাথা নেড়ে সায় দিল। দুদুল বলল-চল। ধানের মাঠের আল ধরে চলছে ওরা। গ্রাম পেরিয়ে বিশাল ধান ক্ষেত। যেন বিশাল এক সবুজ স্টেডিয়াম। দূর থেকে উঁচু ঢিবিটা চোখে পড়ল। দুদুল বলল-ঐ যে দেখছ ঢিবিটা-ওখানেই যাইতে অইব। ধানের আল ধরে হাঁটতে হাঁটতে ওদের শরীরের অর্ধেক গেছে ভিজে। কারণ দু’দিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। মনে হয় সমুদ্রে নি¤œ চাপ দেখা দিয়েছে। এ কারণেই এই অবস্থা। শরতের শিশির ধানের গুঁড়ায় রয়েই যায়। আর আলেতে ঘাস আছেই।
বেলা দ্বিপ্রহর। উঁচু ঢিবিটার কাছাকাছি পৌঁছে গেল ওরা। কিন্তু বাধ সাধলো পানি। ঢিবির চতুর্দিকে গভীর জলাশয়ই মনে হল। জলাশয়টি শাপলা আর পদ্ম পাতায় ঢাকা। লাল-সাদা ফুলের সমারোহ। বেকায়দায় পড়ল ওরা। পানিতে নামতে হলে সাঁতার জানতে হবে। দুদুল চট করে প্রশ্ন করে এই হাবুল সাঁতার জানিস? মাথা নেড়ে না সূচক জবাব দিল।
– কে কে সাঁতার জানস।
দু’জন হাত তুললেও দু’জন হাত তুলল না।
– শালারা-বেআক্কেল। সাঁতারটা পর্যন্ত শিখতে পারস নাই?
– শার্দুল বলল-কি করুম এখন, দুদুল ভাই?
দুদুল একটু সময় নিয়ে বলল ‘কি আর করুম, চল ফিরে যাই। হেই চেমড়ারা সাঁতার শিহে নাই।
ফিরে চলল ওরা মিশন শেষ না করেই। কয়েক কদম এগিয়ে যেতেই দুদুল শুনলো অদ্ভুত বাঁশির সুর। ওরাও শুনলো। মাতাল করা সুর। দুদুল বলল-কে বাঁশি বাজায়? তোমরা হুনতাছ?
– হ্যাঁ হুনতাছি তো। দারুন সুর। কে যেন আমাদের ডাকতাছে। দুদুল বলল-চল এক কাজ করি। তোমরা দুইজন এই হানে দাঁড়াইয়া থাহো আমি দেইখা আহি? অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও হাবুল ও শরীফুল মাথা নেড়ে সায় দিল। দুদুল বলল-আমরা যতক্ষণ ফিরা না আহি ততক্ষণ এইহানে দাঁড়ায়া থাকবা বুঝলা? কোত্থাও যাবা না।
দুদুল, শার্দুল ও নওরোজ কাছা মেরে পানিতে নামল। পানিতো মাশাআল্লাহ কম না। মাথা সমান পানি। অনেকটা সাঁতরে-শাপলা-পদ্মের পাতায় বিলি কেটে অনেক কষ্টে পৌঁছল ওরা উঁচু ঢিবিতে। বাঁশির সুর বেজেই চলেছে। অদ্ভুত সূর। এই সূর ওরা শুনেনি কখনও।
ঢিবিটা অনেকটা গোলাকৃতি। আকারে বেশ বড়। নল, খাগড়া, ছন ঘিরে রেখেছে ওটাকে। দুদুল খেয়াল করে-নল খাগড়ার মাঝ দিয়ে পায়ে চলার মত রাস্তা রয়েছে। সে পথ ধরে ওরা এগুয়। হঠাৎ ফুস করে কি যেন সরে গেল ডান দিকে। দুদুল ভাবল সাপ টাপ কিছু হবে। সে ভয় পাওয়ার পাত্র নয়। আজ দেখেই ছাড়বে এখানে কী আছে?
দুদুলরা হাঁটতে হাঁটতে একটা গুহা মুখে পৌঁছাল। দুদুল একটু চিন্তা করে বলল-শার্দুল তুই এইখানে দাঁড়া। আমি আর নওরোজ ভিতরে যাই। যদি বিপদ হয় আর আমরা ফিরা না আহি তাইলে তুই গিয়া হাবুল ও শরীফুলকে নিয়া গিয়া বাড়িতে খবর দিস। ঠিক আছে? শার্দুল মাথা নেড়ে সায় দিল।
দুদুলরা বাঁশির সুর শুনে শুনে এগিয়ে যাচ্ছে। ভিতরটা যতটুকু অন্ধকার হবার কথা ততটা নয়। কোত্থেকে যেনো আলোক রশ্মি এসে অন্ধকার মোটামুটি সরিয়ে দিয়েছে। দুদুল আলোক রশ্মি আর বাঁশির সুর ফলো করে এগিয়ে যাচ্ছে। হ্যাঁ এই তো কাছাকাছি কোথাও বাঁশি বাজছে। হৃদয় কাড়া সুর। দুদুল কামরার মত কিছু একটা দেখতে পেল। হ্যাঁ এই তো কে বাঁশি বাজাচ্ছে। একটা সোনালি রঙের চেয়ারে বসা একটা মেয়ে মনে হচ্ছে। হ্যাঁ অপরূপ সুন্দরী। পুরোটাই এখন দেখা যাচ্ছে। কিন্তু মেয়েটির পায়ের দিকে তাকাতেই ভড়কে গেল সে। অ্যা বড় ঈগলের পায়ের মত মনে হচ্ছে। দুদুল ডাকলো নওরোজ! দেখ দেখ কী অপরূপ মাইয়া। কিন্তু পাটা এমন কেন? ঈগলের মত? দুদুল আর নওরোজের ফিস ফিসানি মেয়েটি শুনতে পেয়েই বাঁশি বাজানো বন্ধ করল সে। একটা তীক্ষè শব্দে জিজ্ঞেস করল কে ওখানে? ও দুদুল, নওরোজ। আয় এখানে আয়। তোদের জন্যই তো অপেক্ষা করছি। এত মিষ্টি করে কেউ ডাকতে পারে! দুদুল ভাবতেই পাড়েনি কোন দিন। ধীর পদক্ষেপে আগায় দুদুল ও নওরোজ।
– আমাকে চিনলে না দুদুল? আমি সসার! আকাশ থেকে এসেছি। মঙ্গল গ্রহ নাম শুনেছো? ওখানেই আমার বাস।
– তুমি এইহানে আইলা ক্যামনে? আর আমাগোর নামই বা জানলা ক্যামনে?
– আমি তোমাদের মনের কথা পড়তে পারি। তোমরা যা চিন্তা করতে পারো না আমরা তা আগাম চিন্তা করতে পারি।
দুদুল-একটু পরীক্ষা করে নিতে চাইল সসারকে।
– আচ্ছা কওতো দেহি-আমরা কয়জন আসছি?
– পাঁচজন। দুই জন ক্ষেতে দাঁড়িয়ে আছে। একজন বাইরে অপেক্ষায় আছে।
– দুদুল অবাক হয়। এ কী এত কিছু সে জানে কী করে? মেয়েটি আবার বলে-
দুদুল তুমি তো খুব বুদ্ধিমান। তুমি চিন্তা করছ আমি এগুলো জানলাম কী করে? আর এখানেই বা থাকি কেন?
– শোন-সেদিন আকাশে নি¤œ চাপের সৃষ্টি হয়েছিল এবং ঘন ঘন বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল। আমি আর আমার এক সাথী তখন এদিকে ওড়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে বজ্রপাত হলে বিদ্যুতায়িত হয়ে আমি পৃথিবীতে ছিটকে পড়ি। এই এলাকায় এটাই উঁচু জায়গা বলে আমি-এখানেই আটকে যাই। আমার খানা পিনা লাগে না। বিদ্যুৎ থেকেই শক্তি পাই-বেঁচে থাকি। আর বিদ্যুৎ না পেলে নিস্তেজ হয়ে যাই। কখনও যদি কেউ আমাকে বিদ্যুতের সংস্পর্শে আনে তখনই কেবল জেগে উঠি। দু’দিন ধরে বিদ্যুৎ বিহীন আছি।
আরও বোধ হয় দু’দিন নিজস্ব বিদ্যুতে চলতে পারবো। কিন্তু এই দুই দিনের ভিতরেও যদি সূর্যোদয় না হয় তাহলে আমি নিস্তেজ হয়ে যাবো। তখন আমার বৈদ্যুতিক সার্কিট থেকে বিদ্যুৎ সংগ্রহ করতে হবে? দুদুল তোমাদের বাড়িতে তো বিদ্যুৎ আছে তাই না?
– দুদুল বলল-হ্যাঁ আছে।
– আমরা তোমারে আমাগো গেরামে নিয়া যামু।
সসার বলল-আমি এখন যেতে পারবো না। এখান থেকে বের হলে আমার আলো সকল মানুষ দেখে আমার দিকে ছুটে আসবে। তখন আমার ও তোমাদের বিপদ হবে। তারচে বরং এখানে থাকি। তোমরা ফিরে যাও।
-দুদুল বলল-কিন্তু তোমার ঐ বাঁশির সুর আমাগো মোহিত করছে। তোমারে রাইখ্যা আমরা যামু না।
সসার বলল-গভীর রাতে এসো। আমি তোমাদের সাথে যাব। ঠিক আছে?
দুদুল ও নওরোজ ফিরে চলল। গুহার বাইরে এসে শার্দুলকে সব খুলে বলল। আরও বলল-যে দিনে ঐ গ্রামের কাছে গিয়ে কোথাও বিশ্রাম নেবে। বনের ফলমূল খেয়ে অপেক্ষা করবে রাতের। গভীর রাতে সসার বাঁশিতে সুর তুলবে আর সেই সুর শুনে বেরিয়ে আসবে ওরা উঁচু ঢিবি বা নিজুম দ্বীপের কাছে। সসারকে নিয়ে যাবে ওরা।
নিঝুম দ্বীপ হতে যখন বাঁশি বেজে উঠল তখন দুদুলরা ছুটে আসল সেখানে। সসারের শিখানো শব্দ করল ওরা হি: হি: হি: হি: হি: হি:।
বাঁশি থামতেই ওরা বুঝল সসার শুনতে পেয়েছে। এক মুহূর্ত। সসার ওড়ে এলো ওদের কাছে। দেখে মনে হচ্ছে ওটা একটা আলোকপিন্ড। কী অপরূপ দেখতে। আকারে বেশ বড় নয় কিন্তু সমস্ত শরীর হতে আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছে। দুদুল ওর ভারি শার্ট খুলে ওকে পরিচয়ে দিল। এখন আর আলো দেখা যাচ্ছে না। দুদুলরা ওকে বয়ে নিয়ে এলো নিজ গ্রামে। দুদুলের ঘরে লুকিয়ে রাখল ওকে….।
ইতোমধ্যে সসার দুর্বল হয়ে পড়েছে। দুদুল বৈদ্যুতিক সার্কিট থেকে ওকে বিদ্যুৎ সংযোগ দিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে আবার সতেজ হয়ে উঠল। সারারাত ধরে সসার আর দুদুলের মাঝে অনেক গল্প হলো। দুদুল দেখে ওর আশ্চর্য বোধ শক্তি। দুদুল কি বলবে ওটা সে আগাম বুঝে ফেলে। মনের গহীন কোণে ও বিচরণ করতে পারে। মানব জগতে যা ঐশী শক্তি- ওর কাছে তা স্বাভাবিক। ওর উন্নত বিচার বিবেচনা চিন্তা ভাবনা মুগ্ধ করে দুদুলকে।
দুদুল ভাবে বাংলাদেশের কোণায় কোণায় যদি কয়েকটি সসার থাকতো তবে অনেক সুবিধা হতো। আজ যেভাবে ঘোষ দুর্নীতি বেড়ে চলেছে সেটা ধরা অত্যন্ত সহজ হত। রাঘব বোয়াল থেকে শুরু করে চুনোপুঁটি পর্যন্ত সবারই মনের পাঠ নেয়া যেত। ফলে আসল মানুষ বুঝে নিতে সমস্যা হতো না। ভোর হওয়ার আগেই সসারকে নিঝুম দ্বীপে পৌঁছে দিল ওরা। কারণ লোকালয়ে এ খবর রটলে সসারের বিপদ হতে পারে। আর ওকে চিরতরে হারাতেও হতে পারে এই ভয়ে ওকে নিরাপদ দূরত্বে রাখাই উচিত মনে করল ওরা। আসার সময় দুদুল বলল- গভীর রাতে আবার আসবো।
সসার বলল- এসো।
পরদিন রাত তিনটায় দুদুলরা নিঝুম দ্বীপে পৌঁছে সসারের শিখানো শব্দ উচ্চারণ করল হি: হি: হি: হি: হি: হি: কিন্তু কোন প্রতিউত্তর পেলো না ওরা। কান পেতে বাঁশির শব্দ শুনতে চেষ্টা করল। না… বাঁশিও শোনা যাচ্ছে না। রাত ভোর হওয়ার অপেক্ষায় থাকলো ওরা। ভোরে সেই নিঝুম দ্বীপের পদ্ম-শাপলার ঝিল সাঁতরে পৌঁছল ওরা সসারের গুহায়। কিন্তু না সসার নেই। পড়ে আছে এক চিরকুট। ‘বন্ধুরা আজ রৌদ্র উঠেছিল। সোলার সিস্টেমে আমি পূর্ণ শক্তি ফিরে পেয়ে তোমাদের না বলেই চলে গেলাম। তোমাদের সাথে মিশে আমার খুব ভালো লেগেছিল। বিদায় বন্ধুরা, বিদায় দুদুল। সুযোগে আরো কোন দিন হয়তো তোমাদের সাথে দেখা হতে পারে। আমাকে না পেয়ে তোমাদের নিশ্চয়ই খারাপ লাগবে। তার জন্য আমি ক্ষমা চাই।’
– বিষণœ মনে সেদিন ফিরে এলো দুদুলরা নিঝুম দ্বীপ থেকে।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close