আমাদের কমিউনিটি

লন্ডনে ড্যাফোডিল অ্যালামনাই ইউকের পুণর্মিলনী

ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির সাবেক স্টুডেন্টদের নিয়ে গঠিত ড্যাফোডিল অ্যালামনাই ইউকের পুণর্মিলনী গত ২৪ ফেব্রুয়ারী রবিবার পূর্ব লন্ডনের প্লামটি ব্যাঙ্কুয়েট হলে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে ।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাউজ অব লর্ডসের মেম্বার ব্যারোনেসপলা মঞ্জিলা উদ্দিন । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল পরিবারের চেয়ারম্যান ডঃ মোঃ সবুর খান। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অক্সফোর্ড কালচারাল কানেক্টিভের চেয়ারম্যান ডঃ ডোনাল্ড স্নোয়ান, ব্রিটেনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর এস. এম জাকারিয়া হক এবং ব্রিটিশ বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ডঃ আজিজুর রহমান।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিটিশ হাউজ অব লর্ডসের মেম্বার ব্যারোনেস পলা মঞ্জিলা উদ্দিন যুক্তরাজ্যে ড্যাফোডিল পরিবারের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বিশ্বব্যাপি ড্যাফোডিলের এই জয়যাত্রা অব্যাহত থাকার পাশাপাশি বাংলাদেশের উন্নয়নে এর কার্যকর বহিঃপ্রকাশ ঘটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।ড্যাফোডিল পরিবারের চেয়ারম্যান ডঃ মোঃ সবুর খান দেশ ভিত্তিক নন-রেসিডেন্ট ড্যাফোডিল অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক গঠন ও সেগুলোর সমন্বয়ে গ্লোবাল নেটওয়ার্ক স্থাপন করে বাংলাদেশের উন্নয়নে তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কিভাবে কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। তিনি ভাষার মাসে বাংলার বীর ভাষা শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে অনুষ্ঠানের সুচনা করেন।অনুষ্ঠানে জানানো হয় ড্যাফোডিল পরিবারের প্রায় ৬০ হাজার প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা পর্যায়ে কর্মরত রয়েছে। ড্যাফোডিল থেকে পাস করা প্রায় ৫০০ শতাধিক বিদেশী শিক্ষার্থী দেশের বাইরে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানীতে এবং তাদের নিজ নিজ দেশে বিচার বিভাগ, উপাচার্য, মন্ত্রী, প্রতিরক্ষা বিভাগ সহ সরকারের গুরুত্বপূর্ন পদে কর্মরত আছেন। সভায় বলা হয় ড্যাফোডিল থেকে পাস করা এলামনাইরা ‘নন-রেসিডেন্ট ড্যাফোডিল এলামনাই’ এর ব্যানারে বাংলাদেশের ভাকর্মর্তি উজ্জ্বল করতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখে চলছে।পুরনো দিনের বন্ধ-বান্ধব, শিক্ষক, মেনটর, অভিভাবক, সহকর্মী ও প্রিয়জনদের সম্মিলনে অনুষ্ঠানস্থলে এক আবেগ ঘন পরিবেশ তৈরী হয়। প্রত্যেকে অতীতের স্মৃতি রোমন্থনের মাধ্যেমে শৈশবে ফিরে যান। অনুষ্ঠানে সবচেয়ে চোখে পড়ার মত ছিল বাংলাদেশকে ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সবার ঐক্যবদ্ধ ও ইস্পাত কঠিন আত্তবিশ্বাস। অনুষ্ঠানের শুরুতে ড্যাফোডিল পরিবারের এলবাম থেকে নেয়া ছবির প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠানটিকে আরো প্রানবন্ত করে তোলে।যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী ড্যাফোডিল পরিবারের শতাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবারবর্গ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close