সমগ্র বিশ্ব

১৫০বছরের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা অরডার্ন

মাত্র দু’মাসের নেতৃত্বে অপ্রত্যাশিতভাবেই দলকে বিজয়ী করে আনেন অরডার্ন। স্বাভাবিকভাবেই দলের নেতা হিসেবে ২০১৭ সালে ৩৮ বছর বয়সে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। নিউজিল্যান্ডের ১৫০ বছরের ইতিহাসেও তিনি সবচেয়ে কম বয়সী সরকার প্রধান। ডয়চে ভেলে

৩) ১৯৮০সালে জন্ম নেয়া অরডার্নের বেড়ে ওঠা মুরুপাড়া নামে নিউজিল্যান্ডের একটি ছোট্ট শহরে। যেখানে শিশুদের পায়ে দেয়ার মতো জুতা ছিল না, এমনকি দুপুরে তারা খাবারও পেতো না। উচ্চ মাধ্যমিক শেষে অরডার্ন ভর্তি হন যোগাযোগ বিভাগে। তার আগে ১৭ বছর বয়সেই যুক্ত হন নিউজিল্যান্ডের লেবার পার্টিতে।

৪) স্নাতক শেষ করে জাসিন্ডা অরডার্ন ২০০৫ সালে পাড়ি জমান ব্রিটেনে। আড়াই বছর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের মন্ত্রীসভার দপ্তরে চাকরি করেন।

৫) ২০০৮ সালে অরডার্ন লেবার পার্টির সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ১৩,০০০ ভোটে হেরে যান। কিন্তু দেশটির সংবিধানিক নিয়মে তিনি সংসদে যাওয়ার সুযোগ পান। ২৮ বছর বয়সে দেশের কনিষ্ঠতম রাজনীতিবিদ হিসেবে জায়গা করে নেন হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে।

৬) জাসিন্ডা অরডার্ন মানবতার পক্ষে কথা বলতে কখনই পিছপা হন না। আর এ কারণে ২০১৮ সালে ফোর্বসের পাওয়ার উইমেনের’তালিকায় জায়গা করে নেন তিনি। আছেন টাইম ম্যাগাজিনের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ব্যক্তির তালিকাতেও।

৭) টিভি উপস্থাপক ক্লার্ক গেফোর্ডকে বিয়ে করেন। ২০১৮ সালের ২২ জুন এই দম্পতির ঘরে আসে ফুটফুটে এক শিশু। এজন্য মাত্র ছয় সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়েছিলেন অরডার্ন। পকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর পর তিনিই হলেন বিশ্বের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী যিনি সরকার প্রধানের দায়িত্বকালে সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close