ইংল্যান্ডএডিটর্স পিকসখবরটপ স্টোরিজ

ব্রিটেনের ইকুয়েডর দূতাবাস থেকে জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার

উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে বৃহস্পতিবার ইকুয়েডর দূতাবাস থেকে গ্রেপ্তারের পর তার বিরুদ্ধে কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটেনের স্বরাষ্ট্রদপ্তর। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বহিঃসমর্পণ এড়াতে সুইডেনে যৌন হয়রানির মামলায় জামিনে থাকা অবস্থায় লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নেন অ্যাসাঞ্জ। ইকুয়েডর তার আশ্রয়প্রার্থীতা বাতিল করার পর লন্ডন পুলিশ দূতাবাস থেকে তাকে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে বের করে আনে। ডেইলি মেইল, সিএনএন, বিবিসি

গ্রেপ্তারের পর তাকে ওয়েস্টমিনিস্টার আদালতে উত্থাপন করা হয়। সেখানে ২০১২ সালে নির্দেশ মোতাবেক আদালতে আত্মসমপর্ণ না করায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়। বিচারক মাইকেল ¯েœা বলেন, ‘অ্যাসাঞ্জের আচরণ নার্সিসিস্টের মতো যিনি কি না নিজের স্বার্থের বাইরে আর কিছুই ভাবতে পারেন না।’

লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, ইকুয়েডরের আমন্ত্রণ ও যুক্তরাষ্ট্রের বহিঃসমর্পণের অনুরোধে অ্যাসাঞ্জকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তিনি বলেন, ‘এটি অনৈতিক। আমি যাব না’। ইকুয়েডর বলছে, দূতাবাসে থেকে তিনি বিভিন্ন দেশের গোপন তথ্য হাতানোর ছক কষতেন। একের পর এক আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করার তারা আশ্রয়প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ফাঁস করায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। তার ৫ বছরের জেল হতে পারে। এদিকে উইকিলিকস টুইটে জানায়, অ্যাসাঞ্জের রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীতা প্রত্যাহার আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেছেন, ‘কেউই আইনের উর্ধ্বে নয়।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ বলেন, ‘ইকুয়েডরের দূতাবাসে প্রবেশের ৭ বছর পর জুলিয়ানকে পুলিশের কাস্টডিতে নেয়া হলো। তাকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। আমি ইকুয়েডর সরকার ও লন্ডন পুলিশকে এর জন্য ধন্যবাদ জানাই।’

২০০৬ সালে উইকিলিকস প্রতিষ্ঠা করার পর ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী শতশত গোপন নথি ফাঁস করেন অ্যাসাঞ্জ। ২০১১ সালে মার্চে তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি করা হয়।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close