সোনার বাংলাদেশ

সেন্টমার্টিনে যেতে পারবেন ১২৫০ পর্যটক

দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে প্রতিদিন এক হাজার ২৫০ জন পর্যটক যেতে পারবেন। আগে অনলাইনে নিবন্ধন করে যেতে হবে। মঙ্গলবার কক্সবাজারের একটি হোটেলে ‘কক্সবাজারের পরিবেশ ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. সুলতান আহমদ। তিনি বলেন, অনলাইনে নিবন্ধন করে নির্দিষ্ট সংখ্যক পর্যটকের সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাওয়ার নিয়ম এ বছরই ছিলো। কিন্তু তা কার্যকর করা যায়নি। আগামী পর্যটন মৌসুমে কার্যকর করা হবে। এনটিভি।

তিনি আরো বলেন, সেন্টমার্টিন দেশের বড় সম্পদ। প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা করা সম্ভব না হলে অচিরে সেন্টমার্টিনের পরিবেশ হবে ভয়াবহ।

সেমিনারে বলা হয়, পরিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে বর্তমানে সেন্টমার্টিন, সোনাদিয়া ও সমুদ্র সৈকত এখন পরিবেশগত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ জন্য মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ করতে হবে। ফিরিয়ে আনতে হবে আগের পরিবেশ। পরিকল্পনা ছাড়া স্থাপনা গড়ে উঠায় দূষণের কবলে পড়েছে হোটেল মোটেল জোন। ৩২৫টি হোটেলের মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নিয়েছে মাত্র ৪৮টি।

স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্যান (এসটিপি) বাস্তবায়ন করেছে মাত্র ছয়টি হোটেল। কক্সবাজারে প্রতিদিন কঠিন ও তরল বর্জ্য সৃষ্টি হয় ৫০ থেকে ৭০ টন। ১২ টন বর্জ্য শোধানাগারের ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু শোধানাগারে বর্জ্য আসে মাত্র দুই টন। এই তথ্য থেকে বুঝা যায়, কক্সবাজার পর্যটন শহরের পরিবেশ দূষণের ভয়াবহ অবস্থা।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close