ধর্ম

যেসব আমল করতেন ইফতারের সময় বিশ্বনবি

রহমত বরকত ও নাজাতের মাস রমজান সমাগত। চাঁদ দেখা গেলেই ৭ মে মঙ্গলবার থেকেই তা পালিত হবে। আল্লাহর নির্দেশ পালনে দিনভর উপবাস করবে মানুষ। সন্ধ্যা হলেই আল্লাহর নির্দেশ পালনে সুন্নাত তরিকায় ইফতার করবে রোজাদার।

রোজাদারের ইফতারের সময় রয়েছে কিছু করণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ দোয়া। ইফতার সংক্রান্ত করণীয় ও দোয়াগুলো রোজাদারের জন্য পালন করা অনেক সাওয়াব ও কল্যাণের কাজ।

ইফতারের বিধান

সারাদিন উপবাস করে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে রোজা ভাঙা বা খোলার উদ্দেশ্যে কিছু খাওয়াকে ইফতার বলে। সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে এ ইফতার করা প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অন্যতম সুন্নাত। ‘সূর্যাস্তের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর দেরি না করে দ্রুত ইফতার করে নেয়া সর্বোত্তম।’ (বুখারি)

ইফতারের সামগ্রী

খেজুর দ্বারা ইফতার করা উত্তম ও মোস্তাহাব। আর যদি খেজুর না পেলে কিংবা না থাকলে তবে সাদা পানি দ্বারা ইফতার শুরু করা উত্তম।

মনে রাখতে হবে, ইফতারের সময় সামান্য কিছু দিয়ে হালকা ইফতার করে কিছুক্ষণ পর পরিপূর্ণ খাবার গ্রহণ করা ইসলাম ও বিজ্ঞান সম্মতভাবে উত্তম। এতে শরীর অনেক সুস্থ ও সবল থাকে। তাই মাগরিবের নামাজ আদায় করে ইফতার পরবর্তী খাবার গ্রহণ করা।

ইফতার সামনে নিয়ে অপেক্ষা করা

ইফতারের আগে ইফতার সামনে নিয়ে তাসবিহ-তাহলিল ও তাওবা-ইসতেগফার আল্লাহ কাছে অনেক পছন্দনীয়। ইফতারের সময় আল্লাহ বান্দার সব চাওয়াগুলোই পূরণ করে দেন। রোজাদার প্রচণ্ড ক্ষুধা নিয়ে খাবার সামনে নিয়ে আল্লাহর ভয়ে সময় না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে। এটি আল্লাহর কাছে অনেক পছন্দনীয় বিষয়।

ইফতারের আগ মুহূর্তে বেশি বেশি ইসতেগফার পড়া- উচ্চারণ : আসতাগফিরুল্লাহাল আজিম, আল্লাজি লা ইলাহা ইল্লাহু আল-হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম, ওয়া আতুবু ইলাইহি লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজিম।

নিচের দয়াটিও বিশেষভাবে পড়া যায়- উচ্চারণ : ‘আলহামদুলিল্লাহি আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিরাহমাতিকাল্লাতি ওয়াসিআত কুল্লা শাইয়িন আন তাগফিরলি।’ অর্থ : ‘সব প্রশংসা আল্লাহর জন্য; হে আল্লাহ! আমি তোমার দরবারে তোমার সর্ববেষ্টিত রহমতের উসিলায় প্রার্থনা করছি, তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।’ (ইবনে মাজাহ)

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close