সোনার বাংলাদেশ

১০ বছরে ফার্নিচার রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ

গত ১০ বছরে ফার্নিচারের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ গুণ। অন্যদিকে বিশ্ববাজারে ফার্নিচারের সিংহভাগ সরবরাহকারি চীন গুটিয়ে নিচ্ছে তাদের ব্যবসা। শ্রমঘন এই শিল্পে পোশাক খাতের মতোই সম্ভাবনা দেখছেন ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা। সাভারের জিরানীবাজারে আসবাব তৈরির আধুনিক কারখানা হাতিলের। বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশি আসবাব রপ্তানির ৮০ভাগই করে এই প্রতিষ্ঠানটি। এমনকি ভারত-নেপাল ও ভুটানেও রয়েছে তাদের শো-রুম। চ্যানেল আই

সম্প্রতি কারখানায় রোবট প্রযুক্তি সংযোজন করেছে হাতিলের উদ্যোক্তারা। আসবাব তৈরির কারখানা যে কতোটা পরিবেশবান্ধব ও পরিকল্পিত হতে পারে, তারই নমুনা যেন এই কারখানা। স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে, আসবাবের নানা অংশ তৈরি হয় এখানে।

একজন বিশেষজ্ঞ বলছেন, বিশ্ববাজারে টিকতে হলে আধুনিক কারখানার কোনো বিকল্প নেই। ফার্নিচার রপ্তানিকারকদের সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক বলছেন, এই শিল্পের কাঁচামালে আরোপিত শুল্ককে যৌক্তিক পর্যায়ে আনতে হবে।

দেশে এখন আসবাবত্রের বাজার প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার মতো। এই খাতে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি প্রায় ৩০ শতাংশ। উপমহাদেশ ছাড়াও যা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে।

তবে রপ্তানির জন্য আধুনিক আসবাব তৈরির বেশিরভাগ কাঁচামালই আমদানি করতে হয় উদ্যোক্তাদের। এজন্য গড়ে শুল্ক ও কর দিতে হয় ৫৫ শতাংশ। অবশ্য রপ্তানির জন্য ১৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা পায় আসবাব শিল্প।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও দেখুন...

Close
Close