সোনার বাংলাদেশ

শেষ মুহূর্তে পথে-ঘাটে ঈদের বাজার

প্রিয়জনদের ঈদের পোশাক কিনতে শেষ মুহূর্তে পথে-ঘাটে পুরো রাজধানীজুড়েই বসে গেছে ঈদের বাজার। রাজধানীর রামপুরা, মৌচাক, ফার্মগেট, মিরপুর, পান্থপথ, ধানমন্ডিসহ প্রায় সর্বত্র মার্কেটের পাশাপাশি নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্তদের জন্য কম দামে পণ্যের পসরা নিয়ে বসেছেন ক্রেতারা। মনে হচ্ছে, পুরো রাজধানীই যেন ঈদ মার্কেট। যারা শেষ মুহূর্তে ঢাকা ছাড়ছেন অথচ কেনাকাটা বাকি ছিলো, তারা যাত্রাপথে এসব ভাসমান দোকান থেকে কিনে নিচ্ছেন প্রয়োজনীয় পোশাক।

এরই মধ্যে বেশিরভাগ মানুষ ঢাকা ছেড়েছেন। যাদের ছুটি পেতে বিলম্ব হয়েছে তারা আজ ঢাকা ছাড়ছেন। আবার অনেকে আছেন ঢাকা ছাড়বেন। এসব মানুষই মূলত আজকে কেনাকাটা করছেন। শেষ মুহূর্তে এসব ভাসমান দোকানে বেশ ক্রেতার আধিক্য দেখা গেছে।

গুলিস্তানে ফুটপাতের দোকান থেকে পরিবারের জন্য পছন্দমতো জুতা খুঁজছিলেন দিনমজুর আকবর আলী। তিনি জানান, কাজের চাপে বাড়ির মানুষদের জন্য কেনাকাটা করতে পারেননি। এজন্য বাসে ওঠার আগে গুলিস্তান থেকে জুতা আর পোশাক কিনছেন তিনি। তবে ক্রেতার সঙ্গে বনিবনা হচ্ছে না আকবরের।

তিনি জানান, শেষ মুহূর্তে কেনাকাটা করছি, এই সুযোগে ফুটপাতের দোকানদারেরাও বেশি দাম চাচ্ছেন।

আগেই মনোস্থির করেছিলেন শেষ দিন গুলিস্তান থেকে কেনাকাটা করে ওই পথেই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন আবদুর গাফফার। সেই ভাবনা থেকে গুলিস্তানের ভাসমান দোকান থেকে কেনাকাটা সারছেন তিনি। শেষ দিনে ভিড় একটু কম হবে মনে করলেও হয়েছে বিপরীত। এখন তিনি মনে করছেন দুদিন আগে কেনাকাটা করলেই ভালো হতো!

সারা বছর ভ্যানে মালামাল টানার কাজ করলেও ঈদের কয়েকদিন একটু বেশি লাভের আশায় ভ্যানে করে পোশাক বিক্রি করছেন আলিম মিয়া। বিক্রি ভালো হচ্ছে জানিয়ে তিনি জানান, কয়েক বছর ধরেই এইভাবে পোশাক বিক্রি করছেন তিনি। অনেক রাত পর্যন্ত বেচাকেনা করে ঈদের দিন সকালে বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা হন তিনি।

এদিকে ফুটপাতে দোকান বসানোর ক্ষেত্রে সম্প্রতি সিটি করপোরেশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর হলেও ঈদের সময়ে মানবিক বিষয় বিবেচনা করে বিক্রেতাদের একটু সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নিম্নবিত্তদেরও কম দামে পণ্য কেনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

রাইজিংবিডি

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close