বিনোদন

স্মৃতিতে অমলিন পপ সম্রাট

তিনি একাধারে সংগীতশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, গীতিকার, অভিনেতা, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী। তবে সবকিছু ছাড়িয়ে তার নামটাই যেন হয়ে উঠেছে তার সবচেয়ে বড় পরিচয়। তিনি মাইকেল জ্যাকসন।

বিশ্ব সংগীত অঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র তিনি। জীবদ্দশায় ভক্তদের উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। মুগ্ধ করেছেন তার নাচের তালে। কিন্তু ২০০৯ সালের ২৫ জুন কোটি কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান এ জনপ্রিয় তারকা। তবে মৃত্যুর দশ বছর পার হলেও ‘পপ সম্রাট’খ্যাত এ তারকার শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি তার ভক্তরা। আজও ভক্তদের মনে অমলিন এ সংগীতশিল্পী।

মিশিগান থেকে লস অ্যাঞ্জেলেসে মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুবাষির্কী পালন করতে এসেছেন ৫১ বছর বয়সি জোলান্ডা ওয়েস্ট। ছোটবেলা থেকেই মাইকেলের ভক্ত তিনি।

প্রিয় তারকাকে নিয়ে পশ্চিমা এক সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেন, সত্যিই অনেক সময় পার হয়েছে। গতকালের ঘটনা তা কিন্তু মনে হয় না। মনে হয় দীর্ঘদিনের যন্ত্রণা। কিন্তু তিনি (মাইকেল জ্যাকসন) এখন মুক্ত। ওই দিনটি ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ দিন।

মিয়ামির বাসিন্দা ৩৪ বছর বয়সি লাটারা ডেশাজিয়র। বুদ্ধি হওয়ার পর থেকেই মাইকেল জ্যাকসনের ভক্ত। তিনি বলেন, আমি ‘থ্রিলার’ শুনে বড় হয়েছি, ‘বিলি জিন’ শুনে বড় হয়েছি, আর এগুলোই শিল্পী হিসেবে তার প্রতি আমার ভালোবাসা তৈরি করেছে।

নানা রকম বিতর্কের কারণে অনেক সময়ই মাইকেল জ্যাকসনের গান বর্জনের কথা উঠেছে। মিস ডেশাজিয়র বলেন, আমি যখন তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো শুনি আমারও বর্জনের ইচ্ছা জেগেছিল। কিন্তু যদি সত্যিকার অর্থে মাইকেল জ্যাকসনের ভক্ত হন তাহলে আপনি শুধু তার অতীত স্মৃতিগুলোই মনে রাখবেন। কারণ তার গানগুলো আপনাকে জীবনের অনন্য জগতে নিয়ে যাবে। আর ছোট খাটো কোনো ঘটনার জন্য বিশ্ব সংগীত অঙ্গনের তার অবদান অবশ্যই হারিয়ে যাবে না।

নাটালি বেনাভাইডস। ২৭ বছর বয়সি এই মাইকেল ভক্ত মিশিগানের বাসিন্দা। মাত্র ১৫ বছর বয়স থেকেই মাইকেল জ্যাকসনের ভক্ত। তিনি বলেন, আমরা শুধু তার খারাপ বিষয়ের দিকেই নজর দিব না। সবদিক বিবেচনা করলে তিনি অনেক ভালো মানুষ। আমি বলতে চাই, তার ভালো দিকগুলো খুঁজে দেখুন, খারাপ দিক নয়।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও দেখুন...

Close
Close