ইংল্যান্ডএডিটর্স পিকসখবরটপ স্টোরিজ

নতুন ব্রেক্সিট চুক্তি করতে জার্মানি ও ফ্রান্স সফর করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

নতুন ব্রেক্সিট চুক্তি করতে ইউরোপিয় ইউনিয়নকে রাজি করাতে জার্মানি ও ফ্রান্স সফর করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এই সফরে ব্রেক্সিট চুক্তির সুরক্ষায় জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেলের কাছ থেকে ৩০ দিন সময় পেলেও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, উত্তর আয়ারল্যান্ড সীমান্তে ব্যাকস্টপ ইস্যু সমঝোতা করা হবে না। বিবিসি, সিএনএন, ডেইলি মেইল

ফ্রান্স সফরের আগে জার্মান সফরে মের্কেল তাকে উত্তর আয়ারল্যান্ডে সীমান্তে ব্যাকস্টপের বিকল্প প্রস্তাব পেশের জন্য ৩০দিন সময় দেন। মের্কেল আরো বলেন, তিনি আশা করছেন একটি চুক্তি হবে। তবে জার্মানি চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের জন্যও প্রস্তুত। মের্কেলের দেয়া এই সময়কে সাদরে গ্রহণ করে নেন বরিস।

বৃহস্পতিবার বরিসের সঙ্গে বৈঠকে মের্কেলের দেয়া ৩০ দিনের সময়ের প্রতি সমর্থন জানালেও ম্যাক্রোঁ বলেছেন, পূর্বের ব্রেক্সিট চুক্তির চুক্তির কিছু ধারা অপরির্যাহ। বিশেষ করে ইইউ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও একক বাজারের মতো মূল নীতি রক্ষায় ব্যাকস্টপের মতো কিছু ধারা নিয়ে পুনরায় সমঝোতা করা হবে না। ম্যাক্রোঁ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, দুই পক্ষের সদিচ্ছা থাকলে ৩০ দিনের মধ্যে ব্রিটেন ও ইইউ সমাধান খুঁজতে সক্ষম হবে। তবে বর্তমান ব্রেক্সিট চুক্তির চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন, একটি নতুন চুক্তি সম্ভব নয়।

যদিও বরিস ব্রেক্সিটের পর যুক্তরাজ্য-ভুক্ত উত্তর আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে ইইউভুক্ত আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার উন্মুক্ত সীমান্তের ঘোর বিরোধীতা করে আসছেন। ব্যাকস্টপ ধারা মোতাবেক ব্রেক্সিট কার্যকরের পর উত্তর আয়ারল্যান্ড ইইউ’র একক বাজারের কিছু নীতি মেনে চলবে, যার ফলে ব্রিটেনকে ইইউ’র একক বাজারের নীতি মানতে হবে।

এদিকে মের্কেলের দেয়া ৩০ দিন সময়ের মধ্যে ব্যাকস্টপের বিকল্প খুঁজে নিয়ে ইইউ-র সম্মতি আদায় করে সংসদে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদন বরিসের জন্য কঠিন হবে। এটি হলেই কেবল চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট এড়ানো সম্ভব। ফ্রান্স সফরে বরিস বলেছেন, আমি ইইউ’র সঙ্গে একটি চুক্তি চাই। তবে চুক্তি হোক বা না হোক আমরা অবশ্যই ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ইইউ থেকে বের হবো। লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন এই সপ্তাহে বিদেশ সফর বাতিল করে বিরোধী এমপিদের চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট ঠেকাতে উপায় খোঁজার আহ্বান জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে তিনি বরিসের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার জন্য তাদের সহায়তা চেয়েছেন। যদি তিনি জেতেন তবে তিনি ব্রেক্সিট বিলম্ব করবেন এবং মধ্যবর্তী নির্বাচন ডেকে আরেক গণভোটের জন্য প্রচারণা চালাবেন।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close