ইংল্যান্ডএডিটর্স পিকসখবরটপ স্টোরিজ

প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পার্লামেন্ট স্থগিত করার বিষয়টি আরো খুটিয়ে দেখবে আদালত

আইনজীবি এবং বিরোধীদের চ্যালেঞ্জের মুখে ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্ট এই শুনানির আয়োজন করে। বিচারক মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের পার্লামেন্ট স্থগিত করার বিষয়টি আরো খুটিয়ে দেখবে আদালত। আরো দুই দিন চলবে শুনানী।
বর্তমানে ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা দুটি চ্যালেঞ্জের শুনানি করছেন। এই আদালতের সভাপতি লেডি হ্যালে বলেছেন এই ল্যান্ডমার্ক মামলা ব্রেক্সিটের সময়সীমার কোনো ক্ষতি করবে না। নিজের ভুমিকা বক্তব্যে যুক্তরাজ্যের জেষ্ঠ্যতম এই বিচারক এবং তার ১০ জন সহকর্মী ব্রেক্সিট কেন্দ্রীক বিভিন্ন আইনি বাধ্যবাধকতা ও সীমাবদ্ধতা যাচাই করেছেন। আগামী ৩ দিন সুপ্রিম কোর্ট এই দুটি আইনি চ্যালেঞ্জ পর্যালোচনা করবেন। এই চ্যালেঞ্জগুলি বলছে পার্লামেন্ট স্থগিত করা জন্য বরিস রানি এলিজাবেথকে বেআইনিভাবে পরামর্শ দিয়েছেন।

আদালতের রায়ের পূর্বে বিবিসির সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে বরিস বলেছিলেন, পার্লামেন্ট আহ্বান করা নিয়ে বিচারকরা কি বলেন তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। বিবিসিকে জনসন বলেন, তার বিচারবিভাগের ওপর শ্রদ্ধা রয়েছে। বিচারবিভাগের স্বাধীনতা ব্রিটেনের অন্যতম গর্বের বিষয়। তাই তিনি মনে করেন, তারা কি বলে তা দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকাই ঠিক হবে। এই সময় সুপ্রিমকোর্ট নির্দেশ দিলে পার্লামেন্টের অধিবেশন আহ্বান করবেন কি না এমন প্রশ্নে বরিস বলেন, ‘এক্ষেত্রে আমি শুধুই বিচারকরা কি রায় দেন তার জন্য অপেক্ষা করতে পারি।’ গত ৯ সেপ্টেম্বর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ক্ষমতা আইনে পার্লামেন্ট স্থগিত হয়ে যায়, আগামী ১৪ অক্টোবর রানি এলিজাবেথের ভাষণের মধ্য দিয়ে পার্লামেন্ট চালুর কথা রয়েছে। বর্তমান সময়সীমা অনুযায়ী আগামী ৩১ অক্টোবর ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে বেরোনোর কথা রয়েছে ব্রিটেনের। বিরোধী দলগুলোকে ক্রমাগত পার্লামেন্টের অধিবেশন আহ্বানের দাবি জানিয়ে আসছে।

গত সপ্তাহে এডিনবোরার সর্বোচ্চ আদালত ‘কোর্ট অব সেশন’ বলেছে, পার্লামেন্ট স্থগিত করা অবৈধ। তবে লন্ডন হাইকোর্ট বলেছে, এটি পুরোপুরিই রাজনৈতিক বিষয় যা আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। বিবিসি জানায়, এই দুই রায়ের পর ডাউনিং স্ট্রিট স্কটল্যান্ডের আদালত এবং ব্যবসায়ী গিনা মিলার লন্ডনের আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাতকারে বরিস দাবি করেন, ইইউ ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া ও একটি চুক্তির জন্য প্রস্তুত।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close