খেলাধুলা

সিরিজ জিতল পাকিস্তান

দানুশকা গুনাথিলাকার সেঞ্চুরিতে দলীয় সংগ্রহটা তিনশর কাছাকাছি ছিল শ্রীলঙ্কার। তারপরও তিন ম্যাচ সিরিজের শেষটিতে শেষ রক্ষা হয়নি তাদের। শেষ ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ঘরের মাঠে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে পাকিস্তান।

করাচি জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। ওপেনার গুনাথিলাকার সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৯৭ রানের পুঁজি পেয়েছিল সফরকারীরা। জবাবে তিন ফিফটিতে দলীয় প্রচেষ্টায় ৪৮.২ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। এ ম্যাচে ৫ উইকেটে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-০ ব্যবধানে নিজেদের করে নিয়েছে স্বাগতিকরা।

এর আগে সোমবার রাতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কাকে ৬৭ রানে হারায় সরফরাজ আহমেদের দল। বৃষ্টিতে ভেসে যায় পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার প্রথম ওয়ানডে।

টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। ওপেনার আভিষ্কা ফার্নান্দো ৪ রান করেই মোহাম্মদ আমিরের শিকার হন। দলীয় ১৩ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় লঙ্কানরা।

তবে সেই ধাক্কা ঠিকই কাটিয়ে উঠে আরেক ওপেনারের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে। দানুশকা গুনাথিলাকা একটা প্রান্ত ধরে একদম ৪৫ ওভার পর্যন্ত নিয়ে গেছেন দলকে। করেছেন চোখ ধাঁধানো এক সেঞ্চুরি। ১৩৪ বলে ১৬ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ১৩৩ রানের ইনিংস খেলে শেষ পর্যন্ত আমিরের বলে বোল্ড হন গুনাথিলাকা। অধিনায়ক লাহিরু থিরিমান্নে আর মিনোদ ভানুকা দুজনই করেন ৩৬ করে।

শেষদিকে ঝড়ো এক ইনিংস খেলেন দাসুন শানাকা। ২৪ বলে ৫ চার আর ২ ছক্কায় ৪৩ রান করে ওয়াহাব রিয়াজের শিকার হন তিনি। পাকিস্তানের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল মোহাম্মদ আমির। ৫০ রানে ৩টি উইকেট নেন বাঁহাতি এই পেসার।

লক্ষ্য তাড়ায় খেলতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই ১২৩ রান এনে দেন পাকিস্তান দলের দুই ওপেনার ফখর জামান ও আবিদ আলী। দলীয় সর্বোচ্চ ৭৪ রান করে নুয়ান প্রদীপের শিকার হয়েছেন ফখর জামান। তার সঙ্গে ব্যক্তিগত ৭৪ রান করে ডি সিলভার বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন আরেক ওপেনার আবিদ আলী। গত ম্যাচে সেঞ্চুরি পাওয়া বাবর আজম ৩১ রান করে প্রদীপের এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়েছেন। তবে শেষদিকে হারিস সোহেলের ৫৬ ও ইফতিখার আলমের অপরাজিত ২৮ রানের ইনিংস জয়ের বন্দরে নিয়ে যায় পাকিস্তানকে।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close