ইংল্যান্ডএডিটর্স পিকসখবরটপ স্টোরিজ

৩০ বছরে ব্রিটেনে স্তন ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা গড়ে ওঠায় রোগটি হ্রাসে এ হারে অনেকের মনে আশা জেগেছে

৩০ বছরে ব্রিটেনে স্তন ক্যান্সার নিয়ে সচেতনতা গড়ে ওঠায় রোগটি হ্রাসে এ হারে অনেকের মনে আশা জেগেছে। দেশটির ক্যান্সার গবেষণা প্রতিষ্ঠান বলছে, ১৯৮৯ সালে ব্রিটেনে স্তন ক্যান্সারে মারা যায় ১৫ হাজার ৬শ নারী। অর্থাৎ লাখে এ মৃত্যুর হার ছিল ৫৯.৮ভাগ। কিন্তু সচেতনতার সাথে সাথে আগাম পরীক্ষা, চিকিৎসায় এ হার ২০১৭ সালে নেমে আসে ৩৩.৪ ভাগে। একই সঙ্গে স্তন পরীক্ষায় আরো উন্নতি, অস্ত্রোপচার আরো আধুনিক, রেডিও থেরাপি ও নতুন ওষুধ ব্যবহার ছাড়াও আগেভাগেই স্তন পরীক্ষায় নারীর ইচ্ছা এ লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হয়ে উঠেছে। মিরর/সান

ব্রিটেনের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ মিখায়েল মিশেল বলেন, এ সফলতা প্রমাণ করছে গবেষণা কাজ করছে। কিন্তু এখনো অনেক কাজ বেশি কারণ অনেক নারী এখনো স্তন ক্যান্সারে মারা যাচ্ছেন। নারীদের শরীর সম্পর্কে জানা সে ছাড়াও অন্য নারীকেও সচেতন করে তুলতে। এক্ষেত্রে চিকিৎসকের কাছে বিলম্ব না করে যাওয়া এ লক্ষ্য অর্জনে অগ্রবর্তী ধাপ হিসেবে কাজ করে। কোনো নারীর স্তনের কোনো অংশ ডেবে যাওয়া, স্কিনে পরিবর্তন, ব্যথা ও নিপেলের অবস্থান পরিবর্তন বা তরল নির্গত হলেই তার চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন। এরপর কেমোথেরাপি বা ম্যাসটেকটোমি একজন নারীকে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে নারীর স্তন ক্যান্সারের এসব পূর্ব লক্ষণই বরং রোগ নির্ণয়ের চাবি। হ্যা একজন নারীর পরিবারের বংশ লতিকায় হয়ত কারো স্তন ক্যান্সার নাও থাকতে পারে। কেমোথেরাপি অবশ্যই একটি জটিল প্রক্রিয়া কিন্তু তাই বলে স্তন ক্যান্সারের কাছে নিজেকে পরাজিত হতে দিতে পারি না বলে মন্তব্য করেন মিশেল।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close