সমগ্র বিশ্ব

ইয়াশুহিরো জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মারা গেছেন

জাপানের দীর্ঘসময়ের প্রধানমন্ত্রীদের অন্যতম ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের বন্ধু বলে পরিচিত ইয়াশুহিরো নাকাসোনো মারা গেছেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ১০১ বছর। ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের খবরে এমন তথ্য জানা গেছে। সূত্র: যুগান্তর

১৯৮২-৮৭ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন নাকাসোনো। গণতান্ত্রিক সংস্কারের সময় আমলাতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রিগ্যান ও মার্গারেট থ্যাচারের সঙ্গে তিনি বৈশ্বিক মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন।

সামরিক বাহিনীর অস্পষ্ট মর্যাদাকে পরিষ্কার করতে যুদ্ধপরবর্তী শান্তিবাদী সংবিধান সংশোধনে ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছিলেন তিনি।

২০১০ সালে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনে দীর্ঘ সময় লাগবে। তবে আমি জনগণকে বলতে চাই– এটি খুবই জরুরি। কিন্তু এমনটি তখনই সম্ভব হবে, যখন দ্রুততার সঙ্গে সংবিধানের সংশোধন করা হবে।

মার্কিন খসড়ার জাপানি সংবিধানের সীমাদ্ধতা মেনে চলার ক্ষেত্রে কিছুটা ছাড় দিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সিনজো অ্যাবে। কিন্তু সংবিধানের শান্তিবাদী অনুচ্ছেদটি সংশোধনের মূল উদ্দেশ্য এখনও বাস্তবায়ন করতে পারেননি। সেটি আগের মতোই চলছে।

রিগ্যানের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে তারা আন্তর্জাতিকভাবে রন অ্যান্ড ইয়াসু নামে পরিচিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার পরেই তার মন্তব্য পত্রিকার প্রধান খবর হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন– তিনি মার্কিন বাহিনীর জন্য এমন একটি বিমানবাহী রণতরী বানাবেন, যেটি সোভিয়েত নৌবাহিনীকে থামিয়ে দিতে পারবে।

মোট জাতীয় উৎপাদনের ১ শতাংশ বার্ষিক প্রতিরক্ষা বাজেটের সীমাবদ্ধতা থেকে তিনি অলিখিতভাবে বেরিয়ে এসেছিলেন।

জাপানি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১৯৮৩ সালে তিনি দক্ষিণ কোরিয়া সফরে যান। এভাবে ১৯১০ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত ঔপনিবেশিক শাসনে রাখা দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্নির্মাণ করেন।

সম্রাটের নৌবাহিনীর সাবেক এ লেফটেন্যান্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তার ছোট ভাইকে হারান।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close