সোনার বাংলাদেশ

ব্যস্ত সময় পার করছেন লৌহকাররা

কামারের দোকানগুলোর টুং টাং শব্দই আসন্ন ঈদের বার্তা জানান দিচ্ছে। হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার লৌহকাররা (কর্মকার) করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে দীর্ঘ কর্মবিরতির পর এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন।  এ কুরবানীর ঈদে কুরবানীকৃত পশু কাটার জন্য বিভিন্ন প্রকারের ছুরি, চাকু, দা ইত্যাদির প্রয়োজন হয়। তাই, কামারের দোকানগুলোতে এখন লৌহকে আগুনে পুড়িয়ে লাল করে হাঁতুড়ি পিটিয়ে তৈরি করা হচ্ছে দা, বটি, বিভিন্ন ধরনের ছুরি, চাপাতি। নতুন তৈরীর পাশাপাশি চলছে পুরানো দা, বটি, ছুরি ও চাপাতিতে শান দেওয়ার কাজ। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার কামারদের বাড়িতে ও দোকানে সমানতালে চলছে তাদের ব্যস্ততা।
উপজেলার আলীগঞ্জ বাজার এলাকার সুবোধ চন্দ্র কর্মকার জানা, তিনি বংশানুক্রমেই কামারের কাজ করছেন। এবার করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রায় ৪ মাস কর্মবিরতির পর এখন কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন তারা। ঈদের আগের কয়েক দিন নতুন দা, ছুরি, চাপাতি, বটি ইত্যাদি তৈরীর পাশাপাশি ও পুরোনোগুলো শান দিচ্ছেন। তবে তিনি ক্ষোভের সাথে বলেন, ঈদের পর কাজের তেমন চাপ থাকবে না, ফলে সংসার চালানো দায় হয়ে পড়বে। স্থানীয় আরো কয়েকজন কামার জানান, কুরবানীর ঈদের কারণে কাজের প্রচুর চাপ রয়েছে। ঈদের পরে তা আর থাকবেনা। বর্তমানে করোনাকালে এমনিতেই ব্যবসা বাণিজ্য প্রায় বন্ধই। এখন ঈদের সময়ে ব্যস্ততা বেড়েছে আয় রোজগারও হচ্ছে। ঈদের পর করোনার মধ্যেই কাজ করতে হবে সংসার পরিচালনা করার জন্য।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close