সমগ্র বিশ্ব

মানুষের নানা অঙ্গের কোষে ঢোকার রাস্তা খুঁজে নিচ্ছে কোভিড

হিউস্টন মেথডিস্ট হাসপাতালের ভাইরোলজিস্টরা বলেছেন, সার্স-কভ-২ ভাইরাল স্ট্রেন প্রায় পাঁচ হাজার জিনোম সিকুয়েন্সে প্রতিটি স্ট্রেন পৃথক দেখা গেছে। তার মধ্যেকার অ্যামাইনো অ্যাসিডের সিকুয়েন্সই বদলে গেছে। ফলে ভাইরাস যখন মানুষের শরীরে বিভাজিত হচ্ছে তার প্রতিটি নতুন স্ট্রেনই হয়ে উঠছে আরও বেশি সংক্রামক। এমএসএম
[৩] টেক্সাসের বিজ্ঞানীরা বলছেন ভাইরাস স্টেনের এই ঘন ঘন বদলের জন্য তাদের রিসেপটর বাইন্ডিং ডোমেন অর্থাৎ যে অংশকে কাজে লাগিয়ে তারা মানুষের দেহকোষে ঢুকতে পারে, তারও পরিবর্তন হয়ে যায়। এই কারণেই মানুষের নানা অঙ্গের কোষে ঢোকার রাস্তা খুঁজে নিচ্ছে কোভিড।

[৪] গবেষক জেমস মুসার বলেছেন, সিঙ্গল মিউটেশন হচ্ছে জিনের গঠনে। অর্থাৎ জিন বা ডিএনএএর যে সম্পূর্ণ বিন্যাস সেখানে একটা নির্দিষ্ট অ্যামাইনো অ্যাসিডের কোডে বদল হচ্ছে। এতে বিভাজন আরো দ্রুতগতি পাচ্ছে।

[৫] মার্কিন গবেষকরা বলছেন, কোভিডের জিনের সামান্য অংশেই বদলে প্রভাব হচ্ছে মারাত্মক। তারা আরও দ্রুত রিসেপটর প্রোটিনের সঙ্গে জোট বেঁধে কোষে ঢুকছে। এই মিউটেশনে শরীরে নতুন রিসেপটর প্রোটিনও খুঁজে নিচ্ছে স্ট্রেন।

[৬] জিনের একটা রিডিং ফ্রেমের তিনটি বেসের প্রতিটি বেসে একটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের কোড যা বদলে দিচ্ছে ভাইরাস। ফলে সে আবার নতুন করে জিনের গঠন সাজিয়ে চেহারাও বদলে নিচ্ছে। এক মানুষের শরীর থেকে অন্য মানুষের শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এ কারণেই। ভাইরাস প্রতিরোধ ক্ষমতার বিরুদ্ধে নিজের প্রতিরোধ গড়ে তুলছে, ফলে কোভিড রিইনফেকশনও দেখা যাচ্ছে।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close