সোনার বাংলাদেশ

ওসমানীনগরে আ. লীগের দু’গ্রুপে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

ওসমানীনগরের তাজপুর বাজারে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বাজারের ব্যবসায়ীরা তাৎক্ষণিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা যায়, সোমবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দাল মিয়া ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনা মিয়া গ্রুপের দুই কর্মীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় সালমান ও ইকবালসহ কয়েকজন আহত হন। বিষয়টি সালিশে নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতিতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।
এদিকে একই ঘটনার জেরধরে আব্দাল মিয়ার সমর্থকরা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাজপুর স্কুল রোডস্থ আনা মিয়ার সমর্থক তুরন মিয়ার দোকান ভাঙচুর করে। এরপর আনা মিয়ার সমর্থকরা জড়ো হয়ে সৌরভ মার্কেটস্থ আব্দাল মিয়ার ব্যক্তিগত অফিসে ভাঙচুর চালায়। এ সময় দু-গ্রুপের মধ্যে আবারও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হলে বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে তাজপুর বাজার সেক্রেটারি সোহেল মিয়ার নেতৃত্বে ব্যবসায়ীরা তাৎক্ষণিক দোকান বন্ধ করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে উভয় পক্ষকে ধাওয়া করেন। ধাওয়ার মুখে বিবাদমান দুগ্রুপের কর্মীরা পিছু হটে। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে ব্যবসায়ীরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন। আধঘণ্টাব্যাপী এসময় মহাসড়কের উভয় পাশে প্রচুর দূরপাল্লার যান আটকা পড়ে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বাজার সেক্রেটারি সোহেল মিয়া বলেন, প্রায়ই তাজপুর বাজারে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা হচ্ছে। প্রশাসন থেকে তেমন কোন উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। মঙ্গলবারের ঘটনায় বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নিরাপত্তার দাবিতে আমরা দোকান বন্ধ করে মহাসড়ক অবরোধ করেছি। প্রশাসন থেকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনা মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমাদের মধ্যে সামান্য ঝামেলা হয়েছে। এটা উল্লেখ করার মতো কিছু না। উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দাল মিয়া বলেন, আমি এলাকায় না থাকায় ঘটনা সম্পর্র্কে তেমন কিছু জানি না। ঘটনাস্থলে গিয়ে সবকিছু জেনে তারপর মন্তব্য করবো।

ওসমানীনগর থানার ওসি শ্যামল বণিক বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাজপুর বাজারের ব্যবসার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন আন্তরিক রয়েছে।

ওসমানীনগরের তাজপুর বাজারে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় বাজারের ব্যবসায়ীরা তাৎক্ষণিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানা যায়, সোমবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দাল মিয়া ও সাংগঠনিক সম্পাদক আনা মিয়া গ্রুপের দুই কর্মীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় সালমান ও ইকবালসহ কয়েকজন আহত হন। বিষয়টি সালিশে নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতিতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।
এদিকে একই ঘটনার জেরধরে আব্দাল মিয়ার সমর্থকরা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাজপুর স্কুল রোডস্থ আনা মিয়ার সমর্থক তুরন মিয়ার দোকান ভাঙচুর করে। এরপর আনা মিয়ার সমর্থকরা জড়ো হয়ে সৌরভ মার্কেটস্থ আব্দাল মিয়ার ব্যক্তিগত অফিসে ভাঙচুর চালায়। এ সময় দু-গ্রুপের মধ্যে আবারও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হলে বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে তাজপুর বাজার সেক্রেটারি সোহেল মিয়ার নেতৃত্বে ব্যবসায়ীরা তাৎক্ষণিক দোকান বন্ধ করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে উভয় পক্ষকে ধাওয়া করেন। ধাওয়ার মুখে বিবাদমান দুগ্রুপের কর্মীরা পিছু হটে। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৫টার দিকে ব্যবসায়ীরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন। আধঘণ্টাব্যাপী এসময় মহাসড়কের উভয় পাশে প্রচুর দূরপাল্লার যান আটকা পড়ে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বাজার সেক্রেটারি সোহেল মিয়া বলেন, প্রায়ই তাজপুর বাজারে একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা হচ্ছে। প্রশাসন থেকে তেমন কোন উদ্যোগ চোখে পড়ছে না। মঙ্গলবারের ঘটনায় বাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নিরাপত্তার দাবিতে আমরা দোকান বন্ধ করে মহাসড়ক অবরোধ করেছি। প্রশাসন থেকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনা মিয়া ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমাদের মধ্যে সামান্য ঝামেলা হয়েছে। এটা উল্লেখ করার মতো কিছু না। উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দাল মিয়া বলেন, আমি এলাকায় না থাকায় ঘটনা সম্পর্র্কে তেমন কিছু জানি না। ঘটনাস্থলে গিয়ে সবকিছু জেনে তারপর মন্তব্য করবো।

ওসমানীনগর থানার ওসি শ্যামল বণিক বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাজপুর বাজারের ব্যবসার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন আন্তরিক রয়েছে।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close