সমগ্র বিশ্ব

ইউরোপে গণহারে করোনার টিকাদান

করোনাভাইরাস ঠেকাতে ইউরোপের দেশগুলো একসঙ্গে টিকাদান কর্মসূচি চালু করেছে। কয়েকটি দেশ শনিবার শুরু করে দিলেও রবিবার থেকে সবাই এই কার্যক্রমের আওতায় এসেছে। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে এখবর জানিয়েছে।

এমন সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নে গণহারে ভ্যাকসিনটির প্রয়োগ শুরু হলো যখন যুক্তরাজ্য থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে নতুন বৈশিষ্ট্যের আরও একটি করোনাভাইরাস। অধিক সংক্রমণ ক্ষমতাসম্পন্ন এ ভাইরাসটি ইতোমধ্যে সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, স্পেন, ফ্রান্স, জাপান ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৪৪৬ মিলিয়ন মানুষকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে।

গত সপ্তাহে বায়োনটেক-ফাইজারের করোনা টিকার অনুমোদন দিয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। শুক্রবার দিনের শেষে এবং শনিবার প্রথম ভাগেই সদস্য দেশগুলোর কাছে ভ্যাকসিনের প্রথম চালান পৌঁছে দিয়েছে ইইউ। টিকা পাওয়ার পরপরই কর্মসূচি চালু করে দিয়েছে জার্মানি, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া। রবিবার থেকে শুরু হয়েছে বাকি দেশগুলোতেও।

ইউরোপের ২৭ দেশের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করতে পেরেছে হাঙ্গেরি। শনিবার হাতে পাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই টিকাদান শুরু করে তারা। এর কিছুক্ষণ পরই শুরু করে হাঙ্গেরির প্রতিবেশী দেশ স্লোভাকিয়া। সেখানে কোভিড-১৯ চিকিৎসায় নিয়োজিত প্রথম সারির স্বাস্থ্যকর্মীরা শুরুতে টিকা নিয়েছেন। একইভাবে শনিবার সন্ধ্যায় কার্যক্রম চালু করে দিয়েছে জার্মানির স্যাক্সনি-আনহাল্ট রাজ্য।

জার্মানিতে প্রথম টিকাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন হালবারস্টাডট শহরের নার্সিং হোমে বসবাসরত ১০১ বছর বয়সী একজন নারী। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী রবিবার থেকে সব রাজ্যে টিকা কর্মসূচি চালুর কথা থাকলেও ততক্ষণ অপেক্ষা করেনি স্যাক্সনি-আনহাল্ট।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত করোনায় তিন লাখ ৩৫ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা এরইমধ্যে এক কোটি ৪০ লাখ ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আঞ্চলিক জোটটির প্রায় সবকটি দেশেই বর্তমানে কঠোর বিধিনিষেধ জারি রয়েছে।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close