সমগ্র বিশ্ব

শারীরিক সমস্যা থাকলে কোভ্যাক্সিন নিবেন না!

যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং যাদের অন্য একাধিক ওষুধ খেতে হয়, তাদের কোভ্যাক্সিন নিতে নিধেষ করলো ভারত বায়োটেক। এ নিয়ে বিস্তারিত একটি তথ্যপত্র বা ফ্যাক্ট শিট প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভারতে করোনার টিকা দেওয়া শুরু হওয়ার পর থেকে তৃতীয় দিনের হিসাবে তিন লাখ ৮০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৫৮০ জনের শরীরে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাত জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুই জনের মৃত্যুও হয়েছে। তবে সেই মৃত্যু করোনার টিকার কারণে নয়, সোমবার এমন দাবি করে ভারত সরকার। হয়তো এমন কারণেই অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আগে থাকতে সতর্ক করে রাখলো কোভ্যাক্সিন।

সরকার আগে জানিয়েছিল, যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তারাও টিকা নিতে নিতে পারবে। তবে তাদের শরীরে টিকার প্রভাব কম পড়বে। প্রধানত যেসব ক্যান্সার আক্রান্ত রোগী কেমোথেরাপিতে রয়েছেন, যাদের এইচআইভি পজিটিভ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে করোনা টিকার প্রয়োগ ক্ষমতা অত্যাধিক রকমের কম থাকতে পারে।

ভারত বায়োটেক আরও জানিয়েছে, যাদের শরীরে রক্তপাতজনিত সমস্যা রয়েছে, তারাও যেন কোভিড টিকা এড়িয়ে যান। যারা অত্যন্ত অসুস্থ কিংবা কোনও অ্যালার্জির ইতিহাস রয়েছে যাদের এবং অন্তঃস্বত্তা নারীদেরও করোনা টিকা এড়িয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।

চিকিৎসকরা অবশ্য বলছেন, এই তথ্যপত্র বা ফ্যাক্ট শিট কেবলমাত্র শরীরে বড় কোনও প্রভাব পড়লে, তা মেনে চলার জন্য। তবে সারা ভারত থেকেই এরইমধ্যে করোনার টিকা নেওয়ার পর বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, টিকা নেওয়ার পরও কোনও ব্যক্তির করোনা হতে পারে। তবে তা সামান্য প্রভাব ফেলবে বলেই মনে করছেন তারা।

ভারত বায়োটেকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সামান্য একটি ঝুঁকি থাকছে তাদের টিকায়, যেটিতে অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, গলা বা মুখ ফুলে যাওয়া, র‌্যাশ, ঝিমুনি ও দুর্বলতা।

সে কারণেই লোকজনকে ভ্যাকসিন নেওয়ার সময় টিকা অফিসারকে শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত বলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত কোনও ওষুধ খাচ্ছেন কি না, সেই বিষয়েও বিস্তারিত বলতে বলা হয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close