সমগ্র বিশ্ব

সেরাম ইনস্টিটিউটে ১ হাজার কোটি রুপির ক্ষয়ক্ষতি, সুরক্ষিত ভ্যাকসিন

ভারতে সেরাম ইনস্টিটিউটে আগুনের ঘটনায় অন্তত এক হাজার কোটি রুপির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তবে আগুনের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেয়েছে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন। ফলে ভ্যাকসিন সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান আদর পুনাওয়ালা। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে পুনেতে সেরাম ইনস্টিটিউটের ভ্যাকসিন কারখানার একটি নির্মাণাধীন ভবনে আগুন লাগে। প্রায় চার ঘণ্টার চেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত পাঁচ শ্রমিক। কয়েক ঘণ্টা পরে একই জায়গায় আবারও আগুন লাগে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘আদর পুনাওয়ালা বলেছেন, আমরা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছি। তবে ভ্যাকসিনগুলো সুরক্ষিত রয়েছে। আগুন লাগার পর আমরা সেখান থেকে সব কর্মীকে উদ্ধার করতে পেরেছিলাম। আগুন নেভার পর জানতে পারি আমাদের পাঁচজন কর্মী মারা গেছেন। নিহতদের পরিবারকে সান্ত্বনা দিয়েছি। তাদের প্রত্যেকের পরিবারের জন্য ২৫ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।’

সেরামের ওই কারখানাতেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনা ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের উৎপাদন চলছে। শিগগিরই সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নোভাভ্যাক্সের ভ্যাকসিনও উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী আদর পুনাওয়ালা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আগুনের ঘটনায় কোভিশিল্ড সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে না। তবে এতে রোটাভাইরাস এবং বিসিজি ভ্যাকসিনের উৎপাদন ও মজুতের ক্ষতি হয়েছে। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় আর্থিক ক্ষতি। এক হাজার কোটি রুপিরও বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এই আগুনে।’

আদর পুনেওয়ালা বলেন, ‘ঈশ্বরের কৃপায় এবং সবার দোয়ায় যেখানে কোভিশিল্ডের উৎপাদন ও মজুত ছিল, অগ্নিকাণ্ড হয়েছে সম্পূর্ণ আরেকটি ভবনে। সিরামের সিইও বলেন, ‘এটা সম্পূর্ণ নতুন স্থাপনা এবং যন্ত্রপাতি বসানো মাত্র চলছে। সম্ভবত সেটার কারণেই ঘটনাটি (অগ্নিকাণ্ড) ঘটেছে। আমরা যা হারিয়েছি তা হচ্ছে ভবিষ্যতের উৎপাদন।’

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close