ইংল্যান্ড

ব্রিটেনবাসী কি টিকার মাধ্যমে করোনার চতুর্থ ঢেউ এড়াতে পারবেন?

বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক বদনামের তোয়াক্কা না করে ভ্যাকসিন কার্যক্রমকে প্রাধান্য দিতে দেখা গেছে বরিস জনসনের ব্রিটিশ সরকারকে। যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা কি টিকার মাধ্যমে করোনার চতুর্থ ঢেউয়ের বিপদ এড়াতে পারবেন? যেখানে ইউরোপ জুড়ে শীত আসার আগেই শুরু হয়ে গেছে করোনার চতুর্থ ঢেউ। নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, অস্ট্রিয়ার পর এবার সিমান্তের কাছে আয়ারল্যান্ডে করোনায় সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে দ্রুত গতিতে। পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকা মৃত্যুতে হিমশিম খাচ্ছে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ।
আয়ারল্যান্ডে আক্রান্তের রেকর্ড ভেঙে এখন প্রতিদিনই গড়ছে নতুন নতুন রেকর্ড। কয়েক মাস আগেও দেশটির করোনা পরিস্থিতি ছিল নিয়ন্ত্রণে। খুলে দেওয়া হয়েছিল রেস্টুরেন্ট, পানশালাগুলো।
তবে সংক্রমণ ফের বেড়ে যাওয়ায় এখন থেকে রাত ১২টার মধ্যেই এগুলো বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে আইরিশ প্রশাসন। আগামী দিনে আসতে পারে আরও কঠোর বিধিনিষেধ। পূর্ণ লকডাউনে যাওয়ার শঙ্কাও রয়েছে।
আক্রান্তের পাশাপাশি মৃত্যু হারও বাড়ছে সমানতালে, আইসিইউতেও করোনা রোগীর সংখ্যা গেল এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। গেল দু’সপ্তাহে প্রায় ৯০০ স্বাস্থ্যকর্মী আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা জানায়, এই মুহূর্তে বিশ্বে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও একমাত্র ইউরোপে বাড়ছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে সারাবিশ্বে করোনায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩৩ লাখ। এর মধ্যে ২১ লাখই ইউরোপের। গত সাত সপ্তাহ ধরে এই অঞ্চলে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে চলছে। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে নতুন শনাক্তের হার সবচেয়ে বেশি রাশিয়া, জার্মানি ও ব্রিটেনে। মৃত্যুর হার বেশে নরওয়ে ও স্লোভাকিয়ায়। এই দুই দেশের মৃত্যুর হার বেড়েছে যথাক্রমে ৬৭ ও ৩৮ শতাংশ।
এর আগে সংস্থাটি জানিয়েছিল, করোনার পরবর্তী কেন্দ্রস্থল হতে পারে ইউরোপ। জরুরি পদক্ষেপ না নিলে ফেব্রুয়ারি নাগাদ এই অঞ্চলে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ করোনায় মারা যেতে পারে।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

আরও দেখুন...

Close
Close