সোনার বাংলাদেশ

নায়িকা ও প্রতিমন্ত্রীর ফোনালাপ, যা বলছেন তারকারা

নেট দুনিয়া জুড়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে- তথ্য প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি ও চিত্রনায়ক ইমনের ফোনালাপ। সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন ‘অকথ্য ভাষা’ সহজভাবে নিতে পারছেন না শোবিজ অঙ্গনের মানুষজনও।

এ ঘটনার পর প্রতিমন্ত্রীর পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী। এক ফেসবুক বার্তায় তিনি লিখেছেন, ‘আগের দিন দেখলাম প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাতনিকে নিয়ে অশ্লীলতম ভাষায় প্রজাতন্ত্রের একজন চাকর কথা বললেন। তার পরদিন সেই একই লোক এক অনুষ্ঠানে গিয়ে পুলিশ ভাইদের নসিহত করলেন যাতে তারা কারও সঙ্গে ব্যবহার খারাপ না করেন। তার পরদিন শুনলাম উনি রেপ করার থ্রেট দিচ্ছেন কাউকে। এখন আপনারাই বলেন, এমন দেশটি কোথায় খুঁজে পাবেন?’

ক্ষোভ প্রকাশ করে ফারুকী আরও লিখেছেন, ‘এসব দেখেশুনে একজন নাগরিক হিসেবে আমি যার পর নাই ক্ষুব্ধ। আমি বিশ্বাস করতে চাই মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরাও এই লোকের সঙ্গে এক টেবিলে বসতে লজ্জাই বোধ করবেন। এই ছোট্ট জীবনে আমার সুযোগ হইছে দুয়েকজন মন্ত্রী দেখার। তাদের কারো কারো প্রশংসা করে আমি লিখেছিলামও। আমি বিশ্বাস করি, তারা কেউই চাইবেন না এই লোক তাদের বিজ্ঞাপন হয়ে উঠুক।’

অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বৃষ্টিভেজা সুন্দর এই সকালটা শুরু হলো কুৎসিত এক কলরেকর্ড শুনে!’ নির্মাতা শিহাব শাহীন লিখেছেন, ‘সে একাধিকবার না বলেছিল।’

কণ্ঠশিল্পী ন্যানসি লিখেছেন, ‘এমন বিকৃত রুচি, বিকৃত ভাষার মানুষ আমাদের বর্তমান সরকারের প্রতিমন্ত্রী!

জনপ্রিয় রম্য লেখক শিমু নাসের লিখেছেন, ‘আওয়ামী লীগের এমপি ও প্রতিমন্ত্রী নিজেকে বাঁচাতে পারেন একটা উপায়ে। তিনি ঘোষণা দেবেন, দলে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারবে শুধু সেই, যে ক্ষমতায় এসে আমার মতো কখনো ক্ষমতার চরম অপব্যবহার করেনি।’

[৮] বিএনপির শীর্ষস্থানীয় একজন নেতার কন্যাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে তথ্য প্রতিমন্ত্রীকে নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। ঠিক এমন সময়েই প্রতিমন্ত্রী ও নায়িকা মাহির ফোনালাপের বিষয়টি সামনে এলো।

এ সম্পর্কিত অন্যান্য সংবাদ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Close